রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মোরেলগঞ্জে মাদ্রাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন, তদন্তের দাবি সংসদে পটুয়াখালীর কথা বলার অঙ্গীকার, মনোনয়ন তুললেন ফেরদৌসী বেগম মিলি নবাগত জেলা পরিষদ প্রশাসকের শিবগঞ্জ আগমন উপলক্ষে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তাড়াইলে সিএনজি শ্রমিক সংগঠনের নতুন কমিটির আনুষ্ঠানিক পদযাত্রা বোরগাঁও গ্রামে মনসামঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি নারায়ণ দেবের জন্ম ভূমি তাড়াইলে মাদরাসাতুল হিকমাহ ইছাপশরের উদ্বোধন ও সবক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত তাড়াইল থানার নবাগত ওসির সঙ্গে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ আমতলী প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: রেজাউল সভাপতি, সুমন সম্পাদক মোরেলগঞ্জে নদীভাঙন রোধে মানববন্ধন, জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি হাফেজ মাওলানা সাইদুল হক: একজন আলেম থেকে জননেতা হয়ে ওঠার গল্প

আমতলীতে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি: গণধোলাই, আটক ১

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৭৯৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বরগুনার আমতলী উপজেলার চালিতাবুনিয়া গ্রামে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনকে গণধোলাই দিয়েছেন স্থানীয়রা। এ সময় মিরাজ মিয়াকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। অপর দুই অভিযুক্ত মোঃ মনিরুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান পালিয়ে যান। আহত মনিরুল ইসলাম আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় চালিতাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, আমতলী পৌর শহরের মনিরুল ইসলাম, মিরাজ ও মেহেদী হাসান দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এলাকায় চাঁদাবাজি করে আসছেন।

এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। রোববার বিকেলে উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের অটোচালক কবির হাওলাদার যাত্রী নিয়ে তালুকদার বাজার যাচ্ছিলেন। পথে একটি মোটরসাইকেলে এসে তিনজন তার অটোর গতিরোধ করে যাত্রীদের নামিয়ে দেয়। পরে কবির হাওলাদারকে গাঁজার ব্যবসার অভিযোগ তুলে মারধর করা হয় এবং ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।

অটোচালক কবির হাওলাদার বলেন, আমি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তারা আমাকে আরও মারধর করে এবং পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।

এ সময় আশপাশের কয়েকজন অটোচালক ও স্থানীয় বাসিন্দা ঘটনাস্থলে এসে প্রতিবাদ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে স্থানীয়রা অভিযুক্তদের গণধোলাই দেন। পরে মিরাজকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী অটোচালক ওসমান মিয়া বলেন, চাঁদা দিতে না চাওয়ায় কবিরকে মারধর করা হয়। আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদেরও হুমকি দেওয়া হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের ধরে ফেলেন।

কথিত সাংবাদিক মনিরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান বলেন, আহত মনিরুল ইসলামকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বরগুনা পুলিশ সুপার মোঃ কুদরাত-ই খুদা পিপিএম বলেন, বিষয়টি জেনেছেন এবং আমতলী থানার ওসিকে মামলা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মাহমুদুল হোসাইন অলী উল্লাহ বলেন, আমতলী থানার ওসিকে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বরগুনায় কোনো চাঁদাবাজের জায়গা হবে না।

এ ঘটনায় আমতলী থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার পরপরই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..