বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রেড ক্রিসেন্টে নিয়োগ-নির্বাচন ঘিরে অস্থিরতা রোহিঙ্গা সংকটের সূচনা মিয়ানমারে, সমাধানও মিয়ানমারেই : তারেক রহমান সিলেট ভ্রমণ শেষে ফেরার পথে নিখোঁজ মোরেলগঞ্জের যুবক, সন্ধানে পরিবার দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল রূপগঞ্জের সিরাজগঞ্জ ফিনিশিং মিলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড কাপড়ের গোডাউন পুড়ে ছাই গোডাউন আদমদীঘিতে সাংবাদিক ও তাঁর বাবাকে মারপিট মামলায় গ্রেপ্তার ১ বিদায়বেলায় হরিরামপুরবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন ওসি আফজাল হোসেন বেতাগীর আলোচিত শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা ও মারধরের ঘটনার প্রধান আসামিসহ আটক ৩ জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পিবিআই কর্মকর্তা মনজুর রহমান পিপিএম পদকে ভূষিত

এল এস পি কর্মীদের চাকুরী নিশ্চিতকরণ ও স্থায়ীকরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন: দাবি মানা না হলে কঠোর কর্মসূচী

আসাদুজ্জামান সজীব:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৮৬০ বার পঠিত

‎প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন ৪২০০ প্রশিক্ষিত এল এস পি কর্মীর কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ ও স্থায়ীকরণের দাবিতে খামার বাড়ির ডিএলএস চত্বরে সংবাদ সম্মেলন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ এলএসপি ঐক্য পরিবার।

‎সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ এলএসপি ঐক্য পরিবারের প্রধান সমন্বয়ক এসএম জামান ও সদস্য সচিব শরীফ হোসেন বলেন, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে দীর্ঘ ৬ বছর ধরে মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত ৪২০০ জন লাইভস্টক সার্ভিস প্রোভাইডার এখন গভীর অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। আগামী ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে চললেও এখন পর্যন্ত এই বিশাল দক্ষ জনবলকে স্থায়ী করার বা বিকল্প কর্মসংস্থানের কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

‎দেশের প্রান্তিক খামারিদের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা, পরামর্শ এবং টিকাদান সেবা পৌঁছে দিতে এলএসপি কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা যেমন দুধ, ডিম ও মাংসের চাহিদার তুলনায় বেশি উৎপাদন হচ্ছে একমাত্র এলডিডিপি প্রকল্পের দক্ষ এলএসপিদের মাধ্যমে। এছাড়া প্রান্তিক খামারিদের নিরাপদ প্রাণী খাদ্য ও আধুনিক বাসস্থান বিষয়েও পরামর্শ দিয়ে আসছেন তারা। তাছাড়া পিপিআর, খুরা রোগ এবং লাম্পি স্কিন ডিজিজ এর মতো মরণব্যাধি নিয়ন্ত্রণে এলএসপিরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।

উৎপাদন বৃদ্ধিতে সারা দেশে ৬,৫০০ টি প্রডিউসার গ্রুপ গঠন ও তদারকির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এই এলএসপি কর্মীরা। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সফল ডিজিটাল প্রাণিসম্পদ খামারি সম্পন্ন করার কৃতিত্বও এলএসপিদের।

সরকারের বিশাল বিনিয়োগে দক্ষ হয়ে ওঠা এই জনবলকে অব্যাহতি দিলে শুধু ৪,২০০ টি পরিবারই পথে বসবে না, বরং দেশের দুধ ও মাংস উৎপাদন খাত বড় ধরনের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরগুলো থেকে ইউনিয়ন বা গ্রাম পর্যায়ে সরাসরি সেবা পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে, যা জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে।

‎ইতিপূর্বে একাধিকবার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে বারবার আশ্বস্ত হয়ে রাজপথ থেকে ফিরে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান সমাধান আসেনি। বর্তমান জনবান্ধব সরকার এলএসপিদের মানবিক ও পেশাগত দিক বিবেচনা করে একটি সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তির অপচয় রোধ করে স্থায়ী কর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশা করেন তারা। আর তা না হলে কঠোর কর্মসূচিরও হুশিয়ারী দেন লাইভস্টক সার্ভিস প্রোভাইডাররা।

 

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..