বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ২৩৯ কিশোরগঞ্জের প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট রবীন্দ্র চন্দ্র ভৌমিকের পরলোকগমন কাঁঠালিয়ার কৃতি সন্তান মোঃ শামসুল হক সুমন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কোতোয়ালি থানা তাঁতি দলের সভাপতি নির্বাচিত নান্দাইলে ৬টি অবৈধ জাল উদ্ধার, জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস ১০০ মুসল্লিকে ওমরাহ করানোর সুযোগ করে দেয়ার ঘোষণা মাহমুদ হোসেন টিটুর, প্রথম ধাপে গেলেন পাঁচজন মোরেলগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ মোরেলগঞ্জের খাউলিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সালেহ খানের মতবিনিময় পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে মোরেলগঞ্জের খাউলিয়া বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত সান্তাহার স্টেশনের নব-নির্মিত ওভার ব্রীজের উদ্বোধন

ডুবে যাওয়া বাস থেকে একের পর এক বের করা হচ্ছে লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৮৪৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মায় ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি ইতোমধ্যে ওপরে তোলা হয়েছে।বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় নদীর পানির নিচে থাকা বাসটি ‍ওপরে তোলা হলে একের পর এক লাশ বের করতে দেখা যায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের।

বাসের দরজা ভেঙে গেছে। বাসের ভেতর থেকে স্কুল ব্যাগ, জুতা-স্যান্ডেল, ভ্যানিটি ব্যাগ ও অন্যান্য ব্যাগ ভেসে উঠতে দেখা গেছে। উদ্ধার কাজে সহযোগীর জন্য তিনটি অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের অফিসিয়াল দাবি, এ পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা মোট ৯ জনের লাশ উদ্ধার করেছেন। তাদের মধ্যে ২ জন পুরুষ, ৫ জন মহিলা ও ২ জন শিশু রয়েছে।

পদ্মার পাড়ে ছোট বোন ফাতেমা তুজ জোহরা ও জামাই কাজী সাইফ আহমেদের খোঁজে এসেছেন রোকন। তিনি বলেন, আমার বন্ধুর ছোট বোন ও তার জামাই আজকে সাড়ে ৩টার বাসে রাজবাড়ী থেকে সৌহার্দ্য পরিবহনে ঢাকায় যাচ্ছিল। পরে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দৌলতদিয়ার পদ্মা নদীতে তলিয়ে যায়। আমরা সাড়ে পাঁচটার দিকে সংবাদ পাওয়ার পর দৌলতদিয়া ঘাটে এসেছি। কিন্তু আমার ছোট বোন ও তার জামাইয়ের এখনও সন্ধান পাইনি। তাদের অপেক্ষায় আমরা রয়েছি।

শরিফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বলেন, রাজবাড়ী থেকে আমার স্ত্রী, ছেলে সন্তান, মেয়ে সন্তান, ভাগ্নি ও ভাগ্নির ছেলে সৌহার্দ্য পরিবহন বাসে ওঠে। ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার পর আমার স্ত্রী, মেয়ে ও ভাগ্নি স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাঁতরে পাড়ে উঠতে পারলেও আমার সাত বছরের ছেলে সন্তান ও এগারো বছর বয়সের ভাগ্নে এখনও নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা আসলেও এখনও উদ্ধার অভিযান শুরু করেনি। আমার ছেলে ও ভাগ্নেতো আর নেই, এখন তাদের লাশটা আমাকে বুঝিয়ে দিক। আমার টাকার দরকার নেই, আমার সন্তানের লাশটা তারা আমাকে বুঝিয়ে দিক। আমার আর কিচ্ছু লাগবে না, আমার সব শেষ।

নবীজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি তার দুই নাতির জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার নাতি ও নাতনি বাসের মধ্যে ছিল। তার জন্য অপেক্ষা করছি। আল্লাহ আমার দুইটারে ফিরিয়ে দাও।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিবহনের ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন জানান, ডুবে যাওয়া বাসটিতে নারী-শিশুসহ প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিল। বাসটি কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। বাসটি তিন নম্বর ঘাটে ফেরির জন্য অপেক্ষা করছিল। কিন্তু সোয়া পাঁচটার দিকে ‘হাসনা হেনা’ নামের একটি ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি এসে জোরে পন্টুনে আঘাত করে। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..