শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
তাড়াইলের গজেন্দ্রপুর দালানবাড়ি মাদরাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ভিত্তিহীন: তদন্ত কমিটি আইসিটি বিভাগের যুগ্মসচিব সাইফুল হাসানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ যশোরের বসুন্দিয়া ভূমি কর্মকর্তা পলাশের ‘হাদিয়া’র নামে ওপেন সিক্রেট ঘুষ বাণিজ্য: মাদ্রাসার জমি নামজারিতেও ৪০ হাজার টাকা ঘুষ! ধানমন্ডিতে ১২ বছরের গৃহকর্মী শিশু রিক্তার মৃত্যু: অভিযুক্ত পাউবো প্রকৌশলী সবিবুর রহমান দম্পতির ১৫ দিনে জামিন, নেপথ্যে টাকা নাকি চাপ? এলজিইডি নারায়ণগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানউজ্জামান দুলালের শত কোটি টাকার অনিয়ম ১৫বছরের চাকরি জীবনে ৯০ লাখ টাকা বেতন পেয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মনিরুজ্জামান গড়েছেন শতকোটি টাকার সম্পদ দুর্নীতির অভিযোগে দক্ষিণ সিটির আনিস, বোরহান চসিকের শাহীন, ফারজানা মুক্তা ৪ প্রকৌশলীর দেশ ত্যাগ ঠেকাতে নির্দেশ সাতক্ষীরা পৌর ভূমি অফিসের নায়েব ঘুষের ‘মহারাণী’ শর্মিষ্ঠা সরকারের মাসিক হাত খরচ লাখ টাকা মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে আওয়ামী কমিশনার সফি উল্লাহ সফির বিশ্বস্ত হাতিয়ার উমেদার ‘আওলাদ সিন্ডিকেট’ জিম্মি সাধারণ সেবাগ্রহীতারা কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার কাজিয়া সুলতানা দম্পতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি করে অঢেল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে টেন্ডার কেলেংকারী

মাগুরা প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ৫৭৮৫ বার পঠিত
স্থানীয় ঠিকাদাররা বঞ্চিতঃ কর্মচারী এনামুল,নুর ইসলাম ও লিটনের নিয়ন্ত্রণে সাড়ে ২১ কোটি টাকার উন্নয়ন কজের ঠিকাদারি: পিডি ২% ও নির্বাহী প্রকৌশলী ৫% এ দফারফা!
মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বক্কার সিদ্দিক দুর্নীতিতে যেন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন। তিনি চাকুরী বিধি ভংগ করে আজ প্রায় সাড়ে ৭ বছর মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের চলতি দায়িত্ব নির্বাহী প্রকৌশলীর পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে ৭/৮ টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় খবর প্রকাশ হলেও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ঘুমিয়ে রয়েছে। আর প্রধান প্রকৌশলী র অফিস বছরে বছরে মাসোহারা নিয়ে তার বদলী আদেশ বাতিল করে যাচ্ছে। এ যেন মগের মল্লুক কান্ডবান্ড।
এ সব বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রধান প্রকৌশলী বরাবরে লিখিত আবেদন করলেও কোন প্রতিকার মেলেনি। এতে মাগুরাবাসী অবাক হয়েছেন।
তাদের একটাই প্রশ্ন,এই প্রকৌশলীর খুঁটির জোর কোথায়? সম্প্রতি এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে উন্নয়ন কাজের টেন্ডারে গুরুত্বর অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ মতে তিনি প্রায় সাড়ে একুশ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজের টেন্ডার আহবান করে নিজের জন্য ৫% এবং পিডির জন্য ২% কমিশন বিয়ে কাজগুলো তার পকেটের ঠিকাদারদের মাঝো বন্টন করেছেন। তিনি মুলত কাজগুলো দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মাগুরার দুইজন কর্মচারী ও যশোর অফিসের একজন কর্মচারীকে তারা বিভিন্ন জেলা থেকে ঠিকাদারী লাইসেন্স সংগ্রহ করে নিজেরাই ঠিকাদার সেজে দরপত্র জমা দিয়ে কাজগুলো ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। যে সব লাইসেন্সের অনুকুলে কাজগুলে প্রদান করা হয়েছে তারা সকলেই আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী অথবা আশীর্বাদপুষ্ট।
জানাগেছে, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বক্কার সিদ্দিক নানা কোশল অবলম্বন করে মাগুরা স্থানীয় ঠিকাদারদে অধিকার বঞ্চিত করে ভিন্ন জেলার ঠিকাদারদের কাজ প্রদান করছেন। এতেকরে স্থানীয় ঠিকাদারগন তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের যে সব কর্মচারীকে নেপথ্যে এই সব ঠিকাদার মনোনয় করা হয়েছে তার হলেন: ১.ক্যাশিয়ার এনামুল (যশোর)
২.নূর ইসলাম ( সহকারী) এবং লিটন ( মেকানিক)। এরা দীর্ঘদিন যাবত সরকারী চাকুরীর নেপথ্যে নিজ অফিসের ঠিকাদরী ব্যবসা করছেন।
প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এদের কথামত ওঠাবসা করেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..