বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন

মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে টেন্ডার কেলেংকারী

মাগুরা প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ৫৭৬৩ বার পঠিত
স্থানীয় ঠিকাদাররা বঞ্চিতঃ কর্মচারী এনামুল,নুর ইসলাম ও লিটনের নিয়ন্ত্রণে সাড়ে ২১ কোটি টাকার উন্নয়ন কজের ঠিকাদারি: পিডি ২% ও নির্বাহী প্রকৌশলী ৫% এ দফারফা!
মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বক্কার সিদ্দিক দুর্নীতিতে যেন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন। তিনি চাকুরী বিধি ভংগ করে আজ প্রায় সাড়ে ৭ বছর মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের চলতি দায়িত্ব নির্বাহী প্রকৌশলীর পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে ৭/৮ টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় খবর প্রকাশ হলেও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ঘুমিয়ে রয়েছে। আর প্রধান প্রকৌশলী র অফিস বছরে বছরে মাসোহারা নিয়ে তার বদলী আদেশ বাতিল করে যাচ্ছে। এ যেন মগের মল্লুক কান্ডবান্ড।
এ সব বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রধান প্রকৌশলী বরাবরে লিখিত আবেদন করলেও কোন প্রতিকার মেলেনি। এতে মাগুরাবাসী অবাক হয়েছেন।
তাদের একটাই প্রশ্ন,এই প্রকৌশলীর খুঁটির জোর কোথায়? সম্প্রতি এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে উন্নয়ন কাজের টেন্ডারে গুরুত্বর অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ মতে তিনি প্রায় সাড়ে একুশ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজের টেন্ডার আহবান করে নিজের জন্য ৫% এবং পিডির জন্য ২% কমিশন বিয়ে কাজগুলো তার পকেটের ঠিকাদারদের মাঝো বন্টন করেছেন। তিনি মুলত কাজগুলো দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মাগুরার দুইজন কর্মচারী ও যশোর অফিসের একজন কর্মচারীকে তারা বিভিন্ন জেলা থেকে ঠিকাদারী লাইসেন্স সংগ্রহ করে নিজেরাই ঠিকাদার সেজে দরপত্র জমা দিয়ে কাজগুলো ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। যে সব লাইসেন্সের অনুকুলে কাজগুলে প্রদান করা হয়েছে তারা সকলেই আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী অথবা আশীর্বাদপুষ্ট।
জানাগেছে, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বক্কার সিদ্দিক নানা কোশল অবলম্বন করে মাগুরা স্থানীয় ঠিকাদারদে অধিকার বঞ্চিত করে ভিন্ন জেলার ঠিকাদারদের কাজ প্রদান করছেন। এতেকরে স্থানীয় ঠিকাদারগন তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের যে সব কর্মচারীকে নেপথ্যে এই সব ঠিকাদার মনোনয় করা হয়েছে তার হলেন: ১.ক্যাশিয়ার এনামুল (যশোর)
২.নূর ইসলাম ( সহকারী) এবং লিটন ( মেকানিক)। এরা দীর্ঘদিন যাবত সরকারী চাকুরীর নেপথ্যে নিজ অফিসের ঠিকাদরী ব্যবসা করছেন।
প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এদের কথামত ওঠাবসা করেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..