বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
একনেক ১৩ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন তাহসিফের সঙ্গী দিশা ফের রিমান্ডে পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক ‘ডিসেম্বরের মধ্যে শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো’ জাতীয় বিপ্লব-সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর ডাক টিকেট উন্মোচন ৫১তম বিশেষ বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা তিন দিনের সফরে ঢাকায় চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রী লিউ হাইশিং মোরেলগঞ্জে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি, সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং আদমদীঘিতে ভূমি অফিসের হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মুসলেকা দেন অভিযোগকারী

আদমদীঘিতে ভূমি অফিসের হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মুসলেকা দেন অভিযোগকারী

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৫৭৫২ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বগুড়ার আদমদীঘিতে উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে খতিয়ান সংশোধনের নামে হয়রানির অভিযোগ এনে তা প্রমাণ করতে না পারায় লিখিত মুসলেকা দিলেন দুই অভিযোগকারী।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শুনানি শেষে তাঁদের ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়।

শুনানিতে অভিযোগকারীরা জানান, এক ব্যক্তির প্ররোচনায় তাঁরা অভিযোগটি করেছিলেন। তবে ভূমি অফিসের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী তাঁদের কাছে টাকা দাবী করেননি বলেও স্বীকার করেন। শুনানিতে খতিয়ান সংশোধনের আবেদনের সপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অভিযোগের যথাযথ ভিত্তি উপস্থাপন করতে না পারায় তাঁদের বক্তব্য নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগমের সভাপতিত্বে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম, কানুনগো আসাদুল ইসলাম ও সদর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ফজলুল হক।

জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের কুসম্বি গ্রামের ময়েন সরকার ও মুনছুর আলম প্রামাণিক খতিয়ান সংশোধনের জন্য উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন করেছিলেন বলে দাবী করেন। এ সময় ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলে গত ১ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন তাঁরা।

অভিযোগে ভূমি অফিসের সেবাপ্রক্রিয়া নিয়ে হয়রানি ও অসন্তোষের বিষয়ও তুলে ধরা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার তাঁদের ডেকে শুনানি করা হয়। শুনানিতে ইউএনও অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে অভিযোগকারীরা খতিয়ান সংশোধনের জন্য করা মিসকেস আবেদনের রিসিভ কপি দেখাতে পারেননি।

এমনকি তাঁদের কাছে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী টাকা দাবি করেছেন কি না সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম জানান, কয়েক মাস আগে অভিযোগকারীরা ভূমি অফিসে এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে তাঁদের জানানো হয়েছিল খতিয়ানের নামের বানান বা করণিক ভুল সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তবে তাঁদের খতিয়ানের যে ধরনের ভুলের কথা বলা হয়েছে এটা আমাদের আওতাভুক্ত নয়।

এ ক্ষেত্রে আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। শুনানির একপর্যায়ে অভিযোগকারীরা জানান, এক ব্যক্তির প্ররোচনায় তাঁরা অভিযোগটি করেছিলেন। অভিযোগের রিসিভ কপি নিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তাঁরা। সংবাদপত্রে প্রকাশিত অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তাঁরা বলেন, ঘুষ দাবির বিষয়টি তাঁরা নিজেরা বলেননি।

পরে শুনানি শেষে অভিযোগকারীরা নিজেদের ভুল স্বীকার করেন। ভবিষ্যতে যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের অভিযোগ না করার বিষয়ে তাঁদের সতর্ক করে লিখিত মুসলেকা নেওয়া হয়।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..