শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন

সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্রের বিষদাঁত ভেঙে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৫৭৫২ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

দেশের সার্বভৌমত্ববিরোধী সব ষড়যন্ত্রের বিষদাঁত ভেঙে দিতে হবে। এ কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় তিনি দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

তিনি বলেছেন, অতীতের মতো আবারও চক্রান্ত শুরু হয়েছে। একটি মহল দেশের সার্বভৌমত্বকে দাবিয়ে রাখতে চায়।

শনিবার (০৭ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালি-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন প্রধানমন্ত্রী।

বিকেল পৌনে ৩টায় নয়াপল্টনে লাখো জনতার উপস্থিত হন। এসময় উপস্থিত জনতা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। হাত নেড়ে তিনি আপামর জনসাধারণের অভিবাদনের জবাব দেন। পরে জনতার উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।

​বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, একাত্তরে অর্জিত সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করে দেশের মানুষের ওপর বাকশাল চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ৭ নভেম্বর সে গোষ্ঠীকে সিপাহি-জনতা পরাজিত করেছিল।

তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সময়েও সে অপশক্তি দেশের অর্জনকে নস্যাৎ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। তাই স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতিকে আবারও ইস্পাতকঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনাযর দায়িত্বে ছিলেন প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমেদ, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, আমানুল্লাহ আমান, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও মহানগরের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

​পরে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নয়াপল্টন থেকে বর্ণাঢ্য ‘সার্বভৌমত্ব’ র‍্যালি শুরু হয়। খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে এতে অংশ নেন বিএনপি। এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী। রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো পল্টন এলাকা। দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা পায়ে হেঁটে এ শোভাযাত্রায় অংশ নেন।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এ র‍্যালি ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে নেয়া হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ, সেনাবাহিনী, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর), গোয়েন্দা সংস্থা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।

ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হয় সমাবেশের মঞ্চ ও আশপাশের এলাকা। এছাড়া সড়কে ব্যারিকেড বসিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

​নির্ধারিত রুট অনুযায়ী, নয়াপল্টন থেকে শুরু হওয়া র‍্যালিটি প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে কাকরাইল মোড়, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হয়।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..