সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কলমাকান্দায় এনসিপির নতুন কমিটি: আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, সদস্যসচিব আহমেদ শরীফ ঢাকার যানজট নিরসনে ৪ টার্মিনাল দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশের ১৪ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফ করেছে সরকার ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা মোরেলগঞ্জে সাবেক অধ্যক্ষের পুনঃনিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকা দাহ সীমান্তের ৩৫ যুবককে ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ৫৩ বিজিবি মোরেলগঞ্জে সবুজের বার্তা ছড়াচ্ছেন সাবেক অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আল আজাদ হরিরামপুরের নতুন ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ফারজানা আক্তার আদমদীঘিতে নজরুল বর্ষে স্থানীয় এমপি’র উপহার

মারা গেছেন কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে

বিনোদন ডেস্ক রিপোর্ট:
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৮৯৬ বার পঠিত
কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে-------------------------ছবি: সংগৃহীত

কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে (৯২) মারা গেছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে পরিবার থেকে জানানো হয়েছে।

এর আগে শনিবার (১১ এপ্রিল) হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আশা ভোঁসলে গত কয়েক মাস ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। শনিবার রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় গায়িকা আশা ভোঁসলে ১৯৩৩ সালে সংগীত অনুরাগী মঙ্গেশকর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৯ বছর বয়স থেকেই পেশাদার গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। ১৯৪৩ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম গান রেকর্ড করার পর ১৯৫০-এর দশকেই বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নেন। বড় বোন লতা মঙ্গেশকরের ছায়ায় ঢাকা না পড়ে নিজস্ব গায়কী ঢঙে তিনি কয়েক দশক ধরে শ্রোতাদের মাতিয়ে রেখেছিলেন।

শুরুতে চটুল বা ক্যাবারে ধাঁচের গানের জন্য তাকে ‘টাইপকাস্ট’ করা হলেও, পরবর্তীতে ‘উমরাও জান’-এর গজল গেয়ে তিনি নিজের বহুমুখী প্রতিভার প্রমাণ দেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি সাতবার ফিল্মফেয়ার সেরা নেপথ্য গায়িকার পুরস্কার এবং দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ‘উমরাও জান’ ছবির ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’ এবং ‘ইজাজত’ ছবির ‘মেরা কুছ সামান’ গানের জন্য তিনি জাতীয় স্বীকৃতি লাভ করেন।

আশা ভোঁসলের ব্যক্তিগত জীবন ছিল বেশ নাটকীয়। মাত্র ১৬ বছর বয়সে পরিবারের অমতে নিজের ব্যক্তিগত সচিব ৩১ বছর বয়সী গণপতরাও ভোঁসলেকে বিয়ে করেন তিনি। তবে শ্বশুরবাড়ির দুর্ব্যবহারের কারণে তিন সন্তানসহ ১৯৬০ সালে সে সম্পর্ক ত্যাগ করেন।

পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে বিখ্যাত সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণের (আর ডি বর্মণ) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বর্মণ পরিবারের প্রবল আপত্তি থাকলেও তাদের দীর্ঘদিনের প্রেম পরিণয়ে রূপ পায়। ১৯৯৪ সালে আর ডি বর্মণের মৃত্যু পর্যন্ত তারা একসঙ্গেই ছিলেন।

জীবনের শেষ বছরগুলোতে তার নাতনি জেনাই ভোঁসলে ছিলেন এ সংগীত সম্রাজ্ঞীর ছায়াসঙ্গী। তার প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের একটি স্বর্ণযুগের অবসান ঘটল।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..