বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সংগ্রাম ও নির্যাতনের সাক্ষী ফেরদৌসী বেগম মিলি, পটুয়াখালী সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা তাড়াইলে মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় দারুল কুরআন মাদ্রাসার স্বাগত মিছিল বিশিষ্ট আইটি বিশেষজ্ঞ শিক্ষাবিদ ইয়াসের খান চৌধুরীকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী করায় নান্দাইলে আনন্দ মিছিল চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা শুরু জাতির উদ্দেশে ভাষণ: সব সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়ার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর জিয়াউর রহমান-খালেদা জিয়ার সমাধিতে মন্ত্রী পরিষদের শ্রদ্ধা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তারেক রহমানের শপথ বরগুনার সংরক্ষিত মহিলা আসনে মিরা খানকে দেখতে চায় এলাকাবাসী জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা : আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৬২৫০ বার পঠিত

বিএনপি চেয়ারপারসন খালাদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে তার ভাইয়ের করা আবেদনে মতামত দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠান হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।  

আজ সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

আনিসুল হক বলেন, ‘আগের আবেদনের ধারাবাহিকতায় তার ভাই আবারও যে আবেদন করেছেন, সেই আবেদনের ব্যাপারে আমাদের আইনি মতামত দিয়ে আমরা এটি এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিচ্ছি। আপনারা জানেন যে, এর আগেও যতবারই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত ফাইলটা গেছে। যেহেতু এটা প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত ফাইলটা যাবে আমার যে মতামত সেটা কিন্তু এখন আপনাদের বলতে পারব না, এটার গোপনীয়তা রাখতে আমি বাধ্য।’

তিনি বলেন, ‘আমি মতামত দিয়ে দিয়েছি, এখন এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যাবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও জানিয়ে দিয়েছি ফাইলটি ওনার কাছে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফাইল যাওয়ার পর আপনারা সিদ্ধান্ত জানতে পারবেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমি কিন্তু বারবারই একটি কথা বলেছি, ৪০১ ধারায় যে ছয়টি উপধারা আছে, সেখানে পাস্ট অ্যান্ড ক্লোজ ট্রানজেকশনে (ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় যে দরখাস্ত একবার নিষ্পত্তি হয়ে থাকে, সেই দরখাস্তকে আবার পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ না থাকা) আবার বিবেচনা করার কিন্তু কোনো সুযোগ নেই।’

৪০১ ধারা নিয়ে আপনার আগের মতামতের ওপর স্থির (স্ট্যান্ড) আছেন কিনা- জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘স্ট্যান্ড আর সিটিংয়ের কোনো ব্যাপার না এটা, আইনের যে ব্যাখ্যা, আমি আইনের যে ব্যাখ্যা দিয়েছি, সেই ব্যাখ্যার সাথে কোনোখানেই আমি দেখিনি তার জাজমেন্টে দ্বিমত আছে। আমার ব্যাখ্যাটাই আমি সঠিক বলে মনে করি।’

দুটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কারাবন্দি ছিলেন। নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আথ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। গত ১৩ নভেম্বর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত। তার পরিপাকতন্ত্রে একাধিকবার রক্তক্ষরণ হয়েছে।

খালেদা জিয়া হাসপাতালটির ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন। তার চিকিৎসার জন্য গঠিত হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ড অবিলম্বে তাকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুপারিশ করেছে বলে জানানো হয়েছে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত। রায় ঘোষণার পর খালেদাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়। এরপর ৩০ অক্টোবর এই মামলায় আপিলে তার আরও পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট।

একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন একই আদালত। রায়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..