রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আমতলীতে জেলেদের মানবিক সহায়তার চাল আত্মসাতের অভিযোগ মুক্তিযোদ্ধার মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, বীর নিবাসের কাজ বন্ধ—আমরণ অনশনে ৮০ বছরের আজহার মোরেলগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস পালিত, ৬ যুবক পেলেন ৮ লাখ টাকার ঋণ সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হলেন তুহিন রেজা তাহসিফ হত্যা: ‘জুনিয়র বন্ধু’ ৪ দিনের রিমান্ডে তাড়াইলে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ঝিটকা খাজা রহমত আলী কলেজে ফল বিপর্যয়, ফেল ৬৮ শতাংশ শিক্ষার্থী আমতলীতে আগুনে পুড়ল দুই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ক্ষতি ২৫ লাখ টাকা মোরেলগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে আইডিয়াল জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন মোরেলগঞ্জে বেতকাশি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে শিক্ষা অফিস

কে এই বগুড়ার খোকন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রে!

আদমদীঘী (বগুড়া) প্রতিনিধি : মো মাইন
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ৫৯২৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত কয়েকদিন ধরে একটি প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে কে এই বগুড়ার খোকন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আজমল হোসেন খোকনের একটি সৌজন্য সাক্ষাতের ছবি প্রকাশের পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ছবিতে প্রধানমন্ত্রীকে তার মাথায় হাত রেখে দোয়া করতে দেখা যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আলোচিত বগুড়ার খোকন হলেন বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হাউজিং কলোনির বাসিন্দা অ্যাডভোকেট মো. আজমল হোসেন খোকন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সুপ্রিম কোর্টের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবী। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. লোকমান হাকিম।

এর আগে বহুল আলোচিত জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আপিল বিভাগের রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, আমাদের বগুড়ার খোকন কোথায়। পরে একই মামলার শুনানি শেষে আরেক অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন,ওকে একটু জায়গা দাও, এই খোকনটা অনেক পরিশ্রম করে।” তখন তিনি অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন খোকনকে নিজের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেন।

জানা যায়, কলেজ জীবন থেকেই তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় যান এবং এলএলবি সম্পন্ন করেন। ২০১৪ সাল থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন মামলায় সহকারী আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। সে সময় তিনি ঢাকা জজ আদালতের আইনজীবী ছিলেন। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিএনপি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মামলার পাশাপাশি তিনি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও আইনি কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। দীর্ঘদিন ধরে জিয়া পরিবারের বিভিন্ন মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় দলীয় অঙ্গনেও তিনি পরিচিত মুখ হিসেবে বিবেচিত হন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন খোকন বলেন, এটি ছিল একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ। দীর্ঘদিন ধরে আমি তার পরিবারের বিভিন্ন মামলা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। সে কারণেই সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলাম। আমার বাড়ি বগুড়া জেনে এবং বেগম খালেদা জিয়া ও ডা. জুবাইদা রহমানের মামলার সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততার বিষয়টি জানার পর তিনি আমার সঙ্গে ছবি তোলেন এবং মাথায় হাত রেখে দোয়া করেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..