তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স এর খিলগাঁও সাবরেজিস্ট্রার অফিসে কেরানী আব্দুর রহমানের বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ দলিল লেখক গন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘুষের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন
তিনি পার্সেন্টেজ খান না। ঘুষ নেন না! টাকা ছুঁয়েও দেখেন না। ইনি হচ্ছেন মেডিকেল কলেজ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। তিনি আপাদমস্তক একজন ভণ্ড হিসাবে গণপূর্ত প্রকৌশলীদের মধ্যে
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পাতাবুনিয়া আদর্শ কৃষি ও কারিগরি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মুঃ মহসিন উদ্দিনের বিরুদ্ধে কোটি টাকার তহবিল আত্মসাৎ, অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য, সরকারি ল্যাবের টাকা আত্মসাৎ এবং কলেজের জমি দখলের মতো
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) ঢাকা মেট্রোর উত্তরা সার্কেলের পরিদর্শক দেওয়ান মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে ঘুষ আদায়, জব্দ করা মাদক ও নগদ অর্থের প্রকৃত পরিমাণ গোপন, নিরীহ মানুষকে
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ‘মির্জাগঞ্জ ইউনিয়ন দরগাহ্ শরীফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়’-এ ভর করেছে অনিয়ম, জালিয়াতি ও দুর্নীতির মহোৎসব। বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার ২০ বছর ধরে জাল সনদে চাকরি ও রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে লক্ষ
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ মির্জাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যেন অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়মিত স্কুলে অনুপস্থিতি, এমনকি শ্রেণিকক্ষে ধানের বস্তা রেখে পাঠদান ব্যাহত করার
সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য দেশে ইতমধ্যেই ৯টি কেন্দ্র রয়েছে, যার বেশির ভাগেরই নেই যথাযথ ব্যবহার। এমনকি কক্সবাজারের ঝিলংজা মৌজায় ৭০০ একর রক্ষিত বনভূমিও বরাদ্দ নেওয়া আছে একই উদ্দেশে। কিন্তু সেসবের
দেশের সরকারি ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান গণপূর্ত অধিদফতর এখন এক বিতর্কিত কর্মকর্তার একক ইশারায় চলছে। সংস্থাটির শীর্ষ পদ, অর্থাৎ প্রধান প্রকৌশলীর চেয়ার বদলের পর থেকেই নানা আলোচনা ও
সরকারের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও নীতিনির্ধারণী পদে থাকার সুবাদে ক্ষমতার অপব্যবহার, শুল্ক ফাঁকির সিন্ডিকেট তৈরি এবং পদ-পদবির অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে হাজার কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক
আওয়ামী রাজত্বের অবসান ঘটলেও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে দরপত্রে অনিয়ম, বদলি বাণিজ্য ও চাঁদা আদায়ের হরিলুট চলছেই। ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলেও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেতরের মাফিয়া চক্রের চেনা চিত্র এক চুলও বদলায়নি। অভিযোগ রয়েছে,