বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ক্রিপ্টো বাণিজ্য ও অনলাইন জুয়া। অথচ বেআইনি এসব ব্যবসা পরিচালনা করে বিপুল অর্থসম্পদের মালিক বনে গেছেন ‘নেক্সট ভেঞ্চার’ ও ‘ফান্ডেড নেক্সট’-এর প্রতিষ্ঠাতা ডিজিটাল মাফিয়া খ্যাত সৈয়দ আব্দুল্লাহ জায়েদ।
ঢাকায় দীর্ঘদিন ধরে একই পদে কর্মরত- অনিয়ম, দুর্নীতি ও সিন্ডিকেশনের মতো অভিযোগে অভিযুক্ত গণপূর্ত অধিদপ্তরের একাধিক উপ-সহকারী, সহকারী, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীকে ঢাকার বাইরে বদলির নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা কার্যত বাস্তবায়ন হয়নি।
রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান General Electric Manufacturing Company Limited-এ (জিইএমকো) কোটি কোটি টাকার স্ক্র্যাপ বিক্রি ঘিরে অনিয়ম, নীতিমালা লঙ্ঘন এবং আর্থিক ক্ষতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের ভেতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শ্রমিকনেতা এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, বিদেশগামী শ্রমিকদের হয়রানি, নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর
৫ আগস্টের আগে মহাখালীর সেতু ভবন, ঢাকা সড়ক বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং বনানী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজাসহ বিভিন্ন স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে ভিন্নখাতে
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর অধীনে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই দপ্তরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ বাণিজ্য করে আসছে।
মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বক্কার সিদ্দিক দুর্নীতিতে যেন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন। তিনি চাকুরী বিধি ভংগ করে আজ প্রায় সাড়ে ৭ বছর মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের চলতি দায়িত্ব
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সরোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ গ্রহণ এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হলেও এখন
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর পুরানপাড়ায় পাকা রাস্তা নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদার মোহাম্মদ তৈয়ব ও উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। প্রায় ১ কিলোমিটার নির্মিত এ রাস্তায় ব্যবহার করা হচ্ছে
পটুয়াখালীর সুবিদখালী সরকারি ডিগ্রি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক মোঃ জহিরুল ইসলাম মামুনকে ঘিরে একের পর এক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, অর্থ আত্মসাৎ, নিয়োগ জালিয়াতি ও ব্যক্তিগত কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে। কলেজের শিক্ষক,