বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কামিল পাস করেও চাকরির অপেক্ষা নয়, ফাস্টফুড ব্যবসায় সফল শারমিন আমতলীতে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার জনতা ব্যাংক পিএলসি নান্দাইল রোড বাজার শাখা স্থানান্তরের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ : ১০১ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগ তাড়াইল সদর ইউনিয়নে দুঃসময়ের সুহৃদ সাথী নূরে আলম সিদ্দিকী বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম-পরিচালক মাহফুজ উল আলমের বিরুদ্ধে ঠিকাদারি ও কমিশন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপির উদ্যোগে অতিরিক্ত ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বরাদ্দ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় সক্রিয় ছিনতাই চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার বদলি আদেশ গায়েব করে এক যুগ ধরে সিএফ কার্যালয়ে হিসাবরক্ষক ইউছুপ: ৯ ডিভিশন থেকে মাসোহারা ও কোটি টাকার বদলি বাণিজ্যের চাঞ্চল্যকর তথ্য বিসিএসআইআর স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশাসনিক ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

সিলেটে কুশিয়ারা ফুঁসছে, সুরমা বাড়ছে ধীরে

মো:কামরান হোসেন (সিলেট) বিয়ানীবাজার প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫
  • ৫৮৫৩ বার পঠিত

পুরো আষাঢ় মাস বলতে গেলে তেমন একটা বৃষ্টি হয়নি সিলেট অঞ্চলে। যা হয়েছে, তাতে উঠোন ভিজেনি। কিন্তু এরমধ্যেই ফুঁসতে শুরু করেছে এ অঞ্চলের প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারা। বাড়তে শুরু করেছে এ দুই নদীর পানি। তবে সুরমা কিছুটা ধীরে হলেও কুশিয়ারা রীতিমতো ফুঁসছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেট অফিসের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন চিত্র পাওয়া যায়।

আগের দিন বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটা পর্যন্ত সিলেটের কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমার পানি ছিল ১১ দশমিক ৬৩ মিটার। শুক্রবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানি ছিল ১১ দশমিক ৬৪ মিটার। বিকেল তিনটায় এক পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৬৫ মিটার।

সিলেট পয়েন্টে সুরমার পানি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ৮ দশমিক ৮৭ মিটার। শুক্রবার সকাল ১০ টায় এ পয়েন্টে সুরমার পানি ছিল ৮ দশমিক ৮৮ মিটার।

সুরমায় পানি বৃদ্ধির গতি মোটামুটি ধীর হলেও কিছুটা দ্রুত বাড়ছে কুশিয়ারার পানি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ পয়েন্টে কুশিয়ারার পানি ছিল ১৪ দশমিক ৫২ মিটার। এক রাতের মধ্যেই এ পয়েন্টে পানি বেড়েছে ১২ সেন্টিমিটার। মানে শুক্রবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে কুশিয়ারার পানি ছির ১৪ দশমিক ৬৪ মিটার। আর বিকেল তিনটায় পানি ছিল ১৪ দশমিক ৮৭ মিটার।

বিয়ানীবাজারের শেওলা পয়েন্টে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কুশিয়ারার পানি ছিল ১১ দশমিক ৮৮ মিটার। শুক্রবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানি ছিল ১১ দশমিক ৯৩ মিটার। আর বিকেল তিনটায় ছিল ১২ দশমিক শূণ্য ৯ মিটার। একদিনে এ পয়েন্টে কুশিয়ারার পানি বেড়েছে ২১ সেন্টিমিটার!

ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারার পানি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ছিল ৯ দশমিক ২৭ মিটার। শুক্রবার সকাল ১০ টায় এ পয়েন্টে পানি ছিল ৯ দশমিক ৩১ মিটার। এ পয়েন্টে পানি বেড়েছে ৪ সেন্টিমিটার।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শেরপুর পয়েন্টে কুশিয়ারার পানি ছিল ৭ দশমিক ৫১ মিটার। শুক্রবার সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানি ছিল ৭ দশমিক ৭২ মিটার। বিকেল তিনটায় এ পয়েন্টে পানি ছিল ৭ দশমিক ৭৭ মিটার। একদিনে এ পয়েন্টে পানি বেড়েছে ২৬ সেন্টিমিটার।

সিলেট অঞ্চলে তেমন বৃষ্টি না ঝরলেও বৃষ্টি ঝরছে উজানে, ভারতের আসামে। ওখানকার পানি বরাক হয়ে নেমে আসছে কুশিয়ারা ও সুরমা হয়েছে। আসাম ও তার উজানে আরও ভারী বৃষ্টিপাত হবে। তাই কুশিয়ারার তেজও দিনে দিনে আরও বাড়বে বলে শঙ্কা সচেতন মহলের।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..