মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বেতাগীতে পল্লীবিদ্যুতের ভূতুড়ে ও অসঙ্গতিপূর্ণ বিলে গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ হরিরামপুরে জমি বিরোধে বোনকে মারধর, হোটেলে ভাঙচুরের অভিযোগ ভাই-ভাবির বিরুদ্ধে নান্দাইল উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাকে টিকিয়ে রাখা রাষ্ট্র, সমাজ ও মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব : তথ্যমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে প্রবাসীর বাড়িতে চুরির অভিযোগ আদমদীঘি উপজেলায় ইউএনও মাসুমা বেগম প্রশংসায় ভাসছেন ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৪৫৮ বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-খালেদা জিয়ার সমাধিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর নির্দেশে তালতলীতে ৩৬ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত শুরু

বরগুনা প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ৫৭৯১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বরগুনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খান, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী শ্যামল চন্দ্র গাইন এবং সহকারী প্রকৌশলী রাজিব শাহের বিরুদ্ধে ৩৬ কোটি টাকার একটি গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আত্মীয়দের নামে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রয়াত বিএনপি মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের সাবেক এপিএস এবং তালতলীর বাসিন্দা ওমর আবদুল্লাহ শাহীন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন বরিশাল বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শেখ মো. নুরুল ইসলাম। আগামী ১৪ মে (বৃহস্পতিবার) বরগুনা এলজিইডি রেস্ট হাউসে তদন্ত শুরু হবে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২৩ জুন ২০২৪ সালে বরগুনা এলজিইডিতে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদানকারী মো. মেহেদী হাসান খান আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত হন।
তার বিরুদ্ধে ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পানি প্রকল্পে খাল খননের কাজে অনিয়ম থাকা সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে প্রকল্পের অর্থ ছাড় করা হয়েছে।

এ ছাড়া, মার্চ মাসে আমতলী-তালতলী উপজেলা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৩৬ কোটি টাকার একটি টেন্ডার আহ্বান করা হয়, যেখানে ৭৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।

পরে ২০ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট তিন প্রকৌশলী অনিয়ম ও অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করে পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ প্রদান করেন।

এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খানের বক্তব্য নেয়ার জন্য মুঠোফোনে বার বার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি এমনকি মুঠোফোনে বার্তা পাঠিয়েও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..