শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নান্দাইলে অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় ২০২ হেক্টর বোরো ধান পানির নিচে মোরেলগঞ্জে দিনমজুর পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ, কোণঠাসা করতে মামলার পর মামলা তাড়াইল সদর ইউপির জনগণকে শ্রমিক দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন নূরে আলম সিদ্দিকী তাড়াইলে মে দিবসে শ্রমজীবীদের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা সারওয়ার হোসেন লিটন তাড়াইলের সর্বস্তরের জনগণকে মে দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন এনসিপি নেতা মহিউদ্দিন মাসুদ মে দিবসে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা জানালেন হাফেজ মাওলানা সাইদুল হক সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজে যুব রেড ক্রিসেন্টের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী, সার্টিফিকেট বিতরণ বরগুনায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু, আহত ১৫ শিক্ষার্থী বাড়তি ৭ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করে প্রতিশ্রুতি পূরণে বদ্ধপরিকর প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি তাড়াইলে অতি বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে পাকা ধান, শ্রমিক সংকটে দিশেহারা কৃষক

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং: ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত

 অনলাইন ডেস্ক:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২
  • ৬২৮৬ বার পঠিত

আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে পূর্ব-মধ্যবঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্যবঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং একই এলাকায় (অক্ষাংশ : ১৭.০ ডিগ্রি উত্তর, দ্রাঘিমাংশ : ৮৮.২ ডিগ্রি পূর্ব) অবস্থান করছে। দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত বহাল রাখা হয়েছে।

আজ সোমবার ভোরে আবহাওয়াবিদ খোঃ হাফিজুর রহমানের সই করা এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-৭) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি গতকাল রোববার দিনগত মধ্যরাতে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬২৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে।

বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুদ্ধ রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ, অমাবশ্যা তিথি ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫-৭ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জল্লোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছে আবহাওয়া বিভাগ।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..