সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আদমদীঘিতে বিএনপির কারা-নির্যাতিত ১৯ নেতাকর্মীকে সংবর্ধনা আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নোটিশ না দেওয়ার অভিযোগ ব্যবসায়ীদের অসহায় মানুষের পাশে উত্তর তক্তাবুনিয়া আদর্শ যুব কল্যাণ সংস্থা, চিকিৎসা সহায়তা পেলেন দুই নারী মোরেলগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে মশা নিধন, বৃক্ষরোপণ ও বিক্ষোভ মিছিল বেতাগীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, ৫ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার মোরেলগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে ক্লাস বর্জন করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সাংবাদিক আমির খসরুর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক আদমদীঘিতে বর্জ্য পরিশোধনাগার ছাড়াই চালকল পরিচালনার সংবাদ প্রকাশের পর তদন্তে মিলল সত্যতা হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন হাসান মাহমুদ সাজেকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ, আটকা সহস্রাধিক পর্যটক

ভোলায় আমনের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

সাব্বির আলম বাবু (ভোলা ব্যুরো চিফ):
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৬১৩১ বার পঠিত

চলতি বছর ঝড়-জলোচ্ছ্বাস সহ চার দফা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও ভোলায় আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। এবার পোকার আক্রমণ তেমন ছিলো না, তাই ভালো ফলন পেয়ে কৃষকের মুখে হাশি।

এরই মধ্যে ধান মাড়াই শুরু করে দিয়েছেন কৃষকরা। বাজার দাম ভালো থাকায় আগ্রহ বেড়েছে তাদের।
দ্বীপজেলা ভোলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ ফসলের ক্ষেতে পাকা ধানের সমারোহ। চার দফা প্রকৃতিক দুর্যোগ আর সার-ওষুধের মূল্যবৃদ্ধির সংকট কাটিয়ে সোনালি ধান শোভা পাচ্ছে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।

কেউ ধান কাটছেন, কেউবা বস্তায় তুলছেন। এমনি ব্যস্ততা কৃষকদের। কারো যেন বসে থাকার সময় নেই।

ভোলা সদরের চর সামাইয়া ইউনিয়নের কৃষক মো. মাহফুজ বলেন, এ মৌসুমে ৪ বিঘা জমিতে আমনের আবাদ করেছি, ফলন অনেক ভালো হয়েছে। দুই এক দিনের মধ্যে ধান ঘরে তুলবো। আরেক কৃষক মনির ও আলমগীর বলেন, শুরুতে কয়েক দফা জোয়ার, নিম্নচাপ এবং সিত্রাং সহ বেশ কয়েকটি ঝড় হওয়াতে ফলন নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিলো, কিন্তু সব সমস্যা কাটিয়ে আমরা ঘুরে দাড়িয়েছি, তেমন বিপর্যয় হয়নি।

৩ একর জমিতে আমনের আবাদ করেছেন মালেক পন্ডিত। তিনি বলেন, ক্ষেতের ধান পেকেছে, আমরা মাড়াই শুরু করে দিয়েছি। পাইকাররা ক্ষেত থেকে ধান কিনে নিয়ে যাচ্ছেন, এবার মণ প্রতি ৯০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মোটামুটি উৎপাদন খরচ পুষিয়ে লাভ হবে। বিগত বছর এমনটি হয়নি। তখন ধানের দাম কম ছিলো।

এদিকে কৃষি বিভাগ জানায়, মাটি ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রতি বছরই ভালো ফলন হয়ে থাকে দ্বীপজেলা। এ বছরও তার ব্যাতিক্রম হয়নি। কৃষকদের উৎপাদিত এসব ধান জেলার চাহিদা মিটিয়ে চলে যায় দেশের অন্য জেলায়।

এ ব্যাপারে ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ হাসান মো. ওয়াসিরুল কবির বলেন, এবার প্রকৃতিক বিপর্যয়ের পরেও আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজার ভালো পেয়ে কৃষকরাও খুশি। এ বছর জেলায় এক লাখ ৭৫ হাজার ৫৬৮ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। যা থেকে ৫ লাখ ৬১ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হবে বলে মনে করছে কৃষিবিভাগ।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..