বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মোরেলগঞ্জে সাংবাদিকের বাসায় চুরির চেষ্টা, শাবল ফেলে পালালো চোর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন কাঠালিয়া-রাজাপুরের গণমানুষের নেতা মো. হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যম বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি রূপগঞ্জে ৫৪ মোবাইলসহ চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার নান্দাইলে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা কাঠালিয়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত: বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপিত: বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা সরকারি শিক্ষক হয়েও সমবায় সমিতির নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী: আইন ও আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চার দপ্তরে তোলপাড়

সীমান্তে অবস্থান আরো শক্তিশালী করা হয়েছে : ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৯০১ বার পঠিত

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের সৃষ্ট সমস্যায় সীমান্তে অবস্থান আরো শক্তিশালী করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সীমান্ত উদারভাবে খুলে দেওয়ার পক্ষপাতী নয় এবং এ সুযোগ আমরা কাউকে দিবো না। মিয়ানমার সংঘাতে সৃষ্ট উদ্বেগ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জাতিসংঘকে লিখিতভাবে জানাবে বাংলাদেশ।’ ওবায়দুল কাদের আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে তারা তাদের সীমান্ত রক্ষী ও সেনাবাহিনীর সদস্য। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল, তারা তাদের ফিরিয়ে নিবে এবং ফিরিয়ে নিতেই হবে। ফিরিয়ে না নেওয়া নিয়ে বিকল্প নেই। ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের সীমান্তে শঙ্কা জিইয়ে রাখতে পারিনা। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। চিঠি দিবে জাতিসংঘকে। মিয়ানমার সীমান্তের রেশ ভারতেও গেছে। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। এরই মধ্যে ভারতের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে মিয়ানমার সীমান্ত ইস্যুটাও আছে।
‘বাংলাদেশ ক্রসফায়ারের মুখে পড়েছে’ বিএনপির এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী বলেন, বিএনপি’র মাথা খারাপ হয়ে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বাংলাদেশের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার কথা বলেছেন। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকও সে বার্তা দিয়েছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টও বার্তা দিয়েছেন। বিএনপির এখন সব আশাই শেষ। তারা মনে করেছিল, বিদেশী বন্ধুরা পাশে এসে দাঁড়াবে। তাদের সে আশা একেবারে শেষ হয়ে গেছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আসলে তাদের আন্দোলন এত ব্যর্থতার মধ্যে নিপতিত হবে- এটা ভাবতেও পারেনি। তারা মনে করেছে, আন্দোলন কিছুটা এগিয়ে নিতে পারলে বিদেশীরা বাকীটা এগিয়ে নিবে, শেখ হাসিনা সরকারকে হটাবে। নির্বাচনের পর ভিসা নীতি, নিষেধাজ্ঞা আসবে – এ  সব আশাই শুন্য ও মরীচিকা হয়ে গেছে। কাজেই তারা যখন যা খুশি তাই বলছে। বলতে হয় তাই বলছেন। কর্মীদের তো চাঙ্গা রাখতে হয়।
রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অবস্থান ও অনুপ্রবেশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখনই প্রথম রোহিঙ্গাদের আসতে দেয়। তারা কি ভুলে গেছে তাদের অতীত ইতিহাস?  তারাই তো রোহিঙ্গাদের সুযোগ করে দিয়েছিল। আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা করেছেন, সবাই প্রশংসা করেছে জাতিসংঘসহ।
এসময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..