মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বরগুনায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতার আহ্বান তালতলীতে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস কৃষি বিভাগের নান্দাইলে সুরাশ্রম দাখিল মাদ্রাসা নবগঠিত এডহক কমিটির সংর্ধ্বনা বেতাগীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম অবহিতকরণ ও প্রেস কনফারেন্স আদমদীঘিতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা আদমদীঘিতে গর্ভকালীন সেবা কার্ড প্রদানে ২০০ করে ঘুষ নেয়ায় তোলপাড় তালতলীতে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস উপপরিচালকের আদমদীঘিতে বিএনপির কারা-নির্যাতিত ১৯ নেতাকর্মীকে সংবর্ধনা আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নোটিশ না দেওয়ার অভিযোগ ব্যবসায়ীদের অসহায় মানুষের পাশে উত্তর তক্তাবুনিয়া আদর্শ যুব কল্যাণ সংস্থা, চিকিৎসা সহায়তা পেলেন দুই নারী

নান্দাইলে অসহায় মিরাজ আলির পাশে দাঁড়ালো প্রশাসন

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮৮১ বার পঠিত
নান্দাইলে অসহায় মিরাজ আলির পাশে দাঁড়ালো প্রশাসন ---- সংগৃহীত ছবি

অসহায় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে নান্দাইল উপজেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বাসিন্দা মিরাজ আলিকে একটি গরু প্রদান করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সারমিনা সাত্তার। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মিজানুল ইসলাম আকন্দ।

দীর্ঘদিন শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপন থেকে বঞ্চিত মিরাজ আলি জীবিকার জন্য বাধ্য হয়ে ভিক্ষাবৃত্তি বেছে নিয়েছিলেন। তবে সরকারি এ উদ্যোগ তার জীবনে নতুন আলো দেখিয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রান্তিক ও অসহায় মানুষদের স্বাবলম্বী করতেই এ পুনর্বাসন কর্মসূচি চালু রাখা হয়েছে। মিরাজ আলির হাতে একটি গরু তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তার পরিবারের আর্থিক উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার সুযোগ তৈরি হলো।

গরু পাওয়ার পর মিরাজ আলি জানান, তিনি আর কখনো ভিক্ষায় ফিরতে চান না। এখন গরু লালন-পালন করে নিজের ও পরিবারের জন্য স্থায়ী আয়ের স্বপ্ন দেখছেন।

ইউএনও সারমিনা সাত্তার বলেন, “শুধু মিরাজ আলি নন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে ধীরে ধীরে আরও অসহায় মানুষকে স্বাবলম্বী করা হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো—কেউ যেন ভিক্ষা না করে, বরং নিজস্ব কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে পারে।”

স্থানীয় সচেতন মহল এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সমাজের বিত্তবানরা যদি প্রশাসনের পাশাপাশি এগিয়ে আসেন, তবে অচিরেই নান্দাইল থেকে ভিক্ষাবৃত্তি নির্মূল সম্ভব হবে।

অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এই প্রচেষ্টা শুধু ব্যক্তিগত পরিবর্তন নয়, বরং গোটা সমাজের ইতিবাচক রূপান্তরের প্রতিচ্ছবি।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..