বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ছাত্রদলের নতুন আংশিক কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) প্রকাশিত এই কমিটিতে দীর্ঘদিন ধরে ত্যাগ, সংগ্রাম ও সাংগঠনিক নিষ্ঠা দেখানো রানিং শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। নতুন নেতৃত্ব ঘোষণার পর ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকে মনে করছেন, এ কমিটি সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করবে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কমিটি ঘোষণার পাশাপাশি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ছাত্রদলের আন্দোলন-সংগ্রামের কঠিন সময়গুলোতে হামলা-মামলার মুখেও যারা অবিচল থেকেছেন—এমন ত্যাগী, পরীক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্বদের দায়িত্ব দিয়ে সংগঠনকে সঠিক দিকনির্দেশনায় এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যই এই কমিটির মূল ভিত্তি।
ঘোষিত কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তদের তালিকা : সভাপতি: মোঃ ইয়ামিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি: মোঃ মাইদুল ইসলাম বাপ্পি, সহ-সভাপতি: মোঃ তুহিন রানা, সাধারণ সম্পাদক: মোঃ জহির রায়হান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: রিফাত হোসেন রাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক: সজিব গাজী, দপ্তর সম্পাদক: সুমন হোসাইন, প্রচার সম্পাদক: মোঃ মাসুদ রানা, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক: মোছাঃ আসমা আক্তার খুশি।
সহ-সভাপতি মোঃ তুহিন রানা বলেন—আমরা দায়িত্ব পেয়েছি, এখন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের অধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। সংগঠনের ঐক্যকে সুদৃঢ় করে ভবিষ্যৎ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার জন্য আমরা সব সময় মাঠে থাকবো।
সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত হোসেন রাফি বলেন— বেরোবি ছাত্রদলকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক নীতি ও আদর্শের সঙ্গে সমন্বয় রেখে আরও শক্ত ভিত্তিতে দাঁড় করানোই হবে আমাদের প্রধান কাজ। তৃণমূলের নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়া, শৃঙ্খলাবদ্ধ সংগঠন গড়ে তোলা এবং ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেওয়া এসব কাজ আমরা দায়িত্বশীলভাবে সম্পন্ন করবো।
নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা জানান, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলকে সুশৃঙ্খল, আধুনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠনে পরিণত করার লক্ষ্যে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা, সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং স্বচ্ছ সাংগঠনিক কাঠামো তৈরিই হবে তাদের প্রধান অঙ্গীকার।
ক্যাম্পাসের অনেক শিক্ষার্থী আশা প্রকাশ করেছেন—ত্যাগী ও যোগ্য নেতৃত্বের এই কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং গণতান্ত্রিক চর্চা আরও দৃঢ় করবে।