শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আমতলীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ আবু নাছের রায়হানের বদলির আদেশে কাঁঠালিয়ায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভ, প্রত্যাহারের দাবি সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশি নিহত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্রের বিষদাঁত ভেঙে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি রয়েছে বিএনপির শোভাযাত্রা যেসব সড়কে, অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বেতাগীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ নেতা সওজের প্রধান প্রকৌশলী মঈনুল এখনো ক্ষমতাবান!

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
  • ৫৮৩৯ বার পঠিত

৫ আগস্টের আগে মহাখালীর সেতু ভবন, ঢাকা সড়ক বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং বনানী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজাসহ বিভিন্ন স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে এসব ঘটনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং মাঠপর্যায়ে তা বাস্তবায়নে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান ভূমিকা রেখেছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশনায় এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কিছু নেতাকর্মী বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালায় এবং এর অর্থায়নের দায়িত্ব পালন করেন মঈনুল হাসান।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে মহাখালী এলাকায় মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ, খাজা টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ড, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে হামলা ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজায় আগুন দেওয়ার ঘটনাগুলোর উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব নাশকতায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয় এবং এর পেছনে মঈনুল হাসানের সংশ্লিষ্টতা ছিল।

প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের বক্তব্যও উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, আন্দোলনের দায় ছাত্র-জনতার ওপর চাপাতে সেতু ভবন, বিটিভি, মেট্রোরেলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল। প্রতিবেদনের দাবি, ওই মামলায় মঈনুল হাসানের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি, যদিও তিনি অর্থায়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয় যে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও সওজে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে এবং মঈনুল হাসান এখনো বিভিন্ন পদায়ন, বদলি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করছেন।

এছাড়া বলা হয়েছে, মঈনুল হাসান কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সদস্য এবং আইইবি নির্বাচনে কাউন্সিল মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগপন্থী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা, পদায়ন বাণিজ্য এবং প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগও প্রতিবেদনে উত্থাপন করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের শেষ অংশে দাবি করা হয়েছে, ৫ আগস্টের পর প্রশিক্ষণ ও উচ্চশিক্ষার নামে ৩০ জন কর্মকর্তার বিদেশযাত্রার অনুমোদনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করা হয় এবং এ প্রক্রিয়ায় মঈনুল হাসানের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা ছিল।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..