শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নান্দাইলে অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় ২০২ হেক্টর বোরো ধান পানির নিচে মোরেলগঞ্জে দিনমজুর পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ, কোণঠাসা করতে মামলার পর মামলা তাড়াইল সদর ইউপির জনগণকে শ্রমিক দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন নূরে আলম সিদ্দিকী তাড়াইলে মে দিবসে শ্রমজীবীদের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা সারওয়ার হোসেন লিটন তাড়াইলের সর্বস্তরের জনগণকে মে দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন এনসিপি নেতা মহিউদ্দিন মাসুদ মে দিবসে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা জানালেন হাফেজ মাওলানা সাইদুল হক সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজে যুব রেড ক্রিসেন্টের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী, সার্টিফিকেট বিতরণ বরগুনায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু, আহত ১৫ শিক্ষার্থী বাড়তি ৭ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করে প্রতিশ্রুতি পূরণে বদ্ধপরিকর প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি তাড়াইলে অতি বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে পাকা ধান, শ্রমিক সংকটে দিশেহারা কৃষক

অঞ্চলভিত্তিক যথাযথ উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২২ মে, ২০২২
  • ৬২৫২ বার পঠিত
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বিভিন্ন এলাকার প্রকৃতিগত পার্থক্যের উল্লেখ করে অঞ্চল ভিত্তিক যথাযথ উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কিন্তু একেক এলাকা একেক রকম এটাও মাথায় রাখতে হবে। যে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশকে আরো ভালো করে চিনতে হবে, জানতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী রোববার (২২ মে) সকালে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘ডেল্টা গভর্নেন্স কাউন্সিলের প্রথম সভায় দেওয়া ভাষণে একথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, সরকার এই ব-দ্বীপের জনগণকে নিরাপদ করতে এবং জনগণকে উন্নত জীবন দিতে ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ গ্রহণ করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের অর্জিত বিশাল সমুদ্র এলাকা ডেল্টা প্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, যমুনা সেতু নির্মাণের সময় যমুনা নদীর প্রসস্থতা বিবেচনায় না এনে নদীর ওপর মাত্র ৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণ করা ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। যা পদ্মা সেতুতে করা হয়নি। ফলে, সেতুটি দীর্ঘ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি পদ্মা সেতু ছোট করতে দিইনি। আমরা নদীর সাথে বাফার জোন রেখে সেতু নির্মাণ করেছি। সুতরাং, সেতুটি (দেশের) দীর্ঘতম সেতু হয়ে উঠেছে। কিন্তু, আমি মনে করি, যমুনার উপর সেতুকে ৪ কিলোমিটারে নামিয়ে আনা একটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। যেহেতু এর নকশা এবং পরিকল্পনা আগে করা হয়েছিল, তাই সেখানে আমাদের আর কিছু করার ছিল না। আমি কেবল এতে রেললাইন অন্তর্ভুক্ত করতে পারি,’ বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন জাপান সফরে গিয়েছিলেন, তখন তিনি যমুনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের বিষয়ে জাপান সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং তারপরে জাপান একটি সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি দল পাঠায়। সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা ১৯৭৪ সালে শুরু হয়েছিল।

সুতরাং, যমুনা নদীর উপর বাংলাদেশের একটি সুনির্দিষ্ট সম্ভাব্যতা প্রতিবেদন রয়েছে। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় তার সরকার পদ্মা নদীর উপর একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চালিয়েছিল।

সরকার প্রধান বলেন, যে সম্ভাব্যতা প্রতিবেদনে সেতু প্রকল্প সাইটের বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী পদ্মা নদীর গভীরতার পার্থক্য পাওয়ায় তিনি সেতুর নকশা নতুন করে প্রণয়ন করান।

তিনি বলেন, ‘নতুন ভাবে আমি নকশা করিয়েছি। আমি এখানে কোন গোজামিল দিতে দিইনি। যদিও এটি সময় নিয়েছে, তারপরেও নকশা পাল্টে যেখানে যতটুকু ওজন নিতে পারবে সেভাবেই নকশা করেই এটা করা।’

তিনি আরো বলেন, দেশের প্রতিটি বর্ষা মৌসুমে যমুনা ও পদ্মাসহ নদীর প্রবাহ ও তলদেশের মাটির চরিত্র পরিবর্তন হয়। যেহেতু এখানে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অন্যান্য দেশের মতো নয়, তাই এই পার্থক্য মাথায় রেখে সঠিকভাবে পরিকল্পনা নিতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী ড. মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, প্রধান সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) জুয়েনা আজিজ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া  বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..