বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি জুলাইকে অসম্মান করে সাংবিধানিক দায়িত্ব ও শপথের পরিপন্থি বক্তব্য দেওয়ায় তাকে এ নোটিশ পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার
শিক্ষা-গবেষণা এবং শিল্প ও সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গুণীজনদের হাতে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয়
দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ হিসেবে আসছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যস্ফীতির এই সময়ে সাধারণ মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে এই বিশেষ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘একুশে পদক-২০২৬’ প্রদান করবেন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আজম উদ্দীন তালুকদার স্বাক্ষরিত এক পত্রে এসব
একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধীদলীয় জোটের নেতারা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সংসদে বিরোধীদলের হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য হাসনাত, এটিএম
একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির পর শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে
আজ মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে মাতৃভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর পূর্ণ হলো আজ। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য রাজধানীসহ সারাদেশে নেয়া হয়েছে ব্যাপক কর্মসূচি।
মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের বরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। শহীদ মিনারে প্রবেশের প্রতিটি সড়কে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ,
একুশে ফেব্রুয়ারি মানেই বাঙালির হৃদয়ে শোক আর গর্বের এক মিশ্র অনুভূতি। ১৯৫২ সালের এ দিনে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছিল বুকের তাজা রক্তে। সে রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে মায়ের ভাষা বাংলার মর্যাদা।