ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা রাজগাতী ইউনিয়নে রোয়াইলবাড়ী থেকে আসা ব্রম্মপুত্র নদের শাখা সোমেশ্বরী নদী উদ্ধারে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী হস্তক্ষেপ চাইলেন এলাকাবাসী। সরজমিন পরিদর্শনে জানা যায়, নান্দাইল উপজেলা সীমান্তবর্তী রাজগাতী ইউনিয়ন উত্তর পুর্বাংশে পাশ্ববর্তী কেন্দুয়া উপজেলা থেকে আসা রোয়াইল বাড়ি হইতে ব্রম্মপুত্র নদ নান্দাইল উপজেলা ধীন রাজগাতী ইউনিয়নের ৮ নং খলাপাড়া মোজার কাউয়ালী পাড়া পেছন দিক দিয়ে বয়ে যাওয়া সোমেশ্বরী নদী যথাক্রমে কুনিয়াপাড়া সামন দিয়ে পেছুন্দুরী স্কুলের দক্ষিণ অংশ ঘেঁষে নওহাটা হয়ে মহব্বত নগর ছয়ানী হয়ে বেতাই নদীতে পতিত হয়।
বিগত দুই যুগ পুর্বে কেন্দুয়া থানার পেছুন্দুরী গ্রামের লোকজন নদীর সিংহভাগ দখলে নিয়ে নেয়। এক সময় উক্ত নদী দিয়ে এদত অঞ্চল মানুষ ব্যবসা বানিজ্যের জন্য উক্ত নৌপথটি ছিল যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। স্থানীয় বাসিন্দারা মাছের চাহিদা মেটাতে পারতো এবং অনেকে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো কিন্তু কালের পরিক্রমায় উক্ত উক্ত নদী আজ সরু খালে পরিনত হয়েছে এমনকি কোথায় কোথায় ভরাট করে জমি বানিয়ে ফেলে অথচ সিএস রেকর্ড রয়েছে অনেক বড়ো নদী। নদী খনন না হওয়ায় এক শ্রেণীর লোক নদী নিয়ে ইচ্ছেমাফিক ভরাট করে ফিশারী বানিয়ে ফেলে।
ফলে পানি নিস্কাষনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেও পানি আটকে প্রলয়ংকরী বন্যার রূপ নেয়। এতে এলাকাবাসী সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপি সরকার ক্ষমতা আসার পরেই দলের চেয়ারপার্সন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল খননের উপর জোর দেন। তখন এই আশার বানীতে এলাকাবাসীর মনে আশার সঞ্চার জাগে। যে নদীর বুকে এক সময় নৌকা চলত মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো আজ যে সেই নদী সর খাল নয় বিরানভূমিতে পরিনত হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, খালবিল নদী নালা উদ্ধারভিযানে যেন উক্ত নদী উদ্ধার করে আবার আগের মতো স্বচ্ছ টলমল পানি থাকে এবং মাছের অভায়রন্য হয় সেই জন্য তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এই বিষয়ে পাবনা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন জানান, এই নদী খনন হলে এক দিকে যেমন জীব বৈচিত্র রক্ষা পাবে পাশাপাশি অকাল বন্যা থেকে এলাকাবাসী রক্ষা পাবে।
উল্লেখ্য ২০২১ খ্রী, বাংলাদেশ নদী শাসন বিভাগের সদস্য অবসরপ্রাপ্ত সচিব মো,আলা উদ্দিন, নান্দাইলে বিভিন্ন নদী সরজমিন পরিদর্শন করেন এবং পরবর্তীতে এর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক বরাবর প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। যেখানে উক্ত নদীর কথা উল্লেখ রয়েছে।