কিশোরগঞ্জ জেলাধীন তাড়াইল উপজেলার স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত, অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
অসুস্থ ব্যক্তিরা আসে, হসপিটাল থেকে সুচিকিৎসার নেওয়ার জন্য। সুচিকিৎসা না পাওয়াতে সাধারণ রোগীরা হতাশা এবং পেরেশানি মধ্যে পড়ে। অসহায় রোগীদের পাশে দাঁড়ানোর লোকটুকু নাই। আমি ওই হসপিটালে প্রত্যক্ষদর্শী। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রত্যেকটি শাখায় অনিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। যেমন: ডাক্তার,নার্স,পিয়ন, ক্লিনার ইত্যাদি।
ডাক্তার: সময় মতন ডাক্তার পাওয়া যায় না। ডাক্তার সাহেবরা বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে সময় দেওয়ার কারণে, সাধারণ রোগীরা সু চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এবং সময়ের প্রতি অসহানুভূতিশীল। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবা দেওয়ার কথা থাকলেও, সাধারণ রোগীদেরকে ক্লিনিকের দিকে ধাবিত করেছে।
নার্স: নার্সদের অবস্থা ঠিক ডাক্তারের মতন। নার্সদের কাজ ক্লিনারকে দিয়ে করাই। সময় মতন রোগীদের কে দেখভাল করে না।
হসপিটালে অন্যান্য কর্মচারী, অনিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। একজন সাধারণ রোগী জরুরী বিভাগে আসলে। কিছু দালাল চক্র মহিলা, রোগীদের কে নিয়ে টানাটানি করে। তা বন্ধ করার প্রশাসনিকভাবে কোন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অপরিষ্কার থাকার কারণে, বিভিন্ন রোগজীবাণু এবং মশার উৎপত্তি বাড়ছে। তা পরিষ্কার করার মতো কোনো লোক পাওয়া যায় না।
মশা নিধনের এবং রোগীদের মশারি কোন ব্যবস্থা নেই। নাই কোন আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং আধুনিক চিকিৎসা সেবা। হসপিটালে বিদ্যুৎ যাওয়ার পর, নাই কোন জেনারেটর ব্যবস্থা। অন্ধকারচ্ছন্ন তারাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।