কিশোরগঞ্জ জেলাধীন তাড়াইল উপজেলা ফুলেশ্বরী নদীর তীরে বোরগাঁও গ্রামে মধ্যে যুগে মনসামঙ্গলা শ্রেষ্ঠ কবি নারায়ণ দেব জন্ম গ্রহণ করেন। নারায়ণ দেব মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে মনসামঙ্গলে কাব্যের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় বাঙালি কবি ছিলেন।
কবি নারায়ণ দেবের পিতার নাম নরসিংহ, আর মাতা রুক্সিণী। কবি ছিলেন কায়স্ত এবং মৌদগল্য গোত্র। তিনি ১৫ শতকের একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন এবং তার রচিত “পদ্মাপুরাণ”মনসা মঙ্গল ধারার একটি জনপ্রিয় কাব্য।
“পদ্মাপুরাণ “তিন খন্ডে বিভক্ত ছিলেন।১/আত্ন পরিচয়, দেব বন্দনা।২/পৌরাণি আখ্যান। ৩/চাঁদ সদাগরের কাহিনী। কবি নারায়ণ দেব রচিত “পদ্মাপুরাণ” শ্রীহট্টে ও আসামে সুপরিচিতি লাভ করেন।”পদ্মাপুরাণ”মূল সারাংশ হল-মনসামঙ্গল বা পদ্মা পুরাণ ধর্মপ্রাণ বাঙালির এক কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ ।সর্পকলের দেবী পদ্মাবতী বিচিত্র তার জন্ম কাহিনী বিচিত্র আখ্যান। মহাদেব নিজেও তার কন্যার জন্ম কাহিনী জানতে পারানে নি…. তাই নিয়ে এক মহাসংকটে সৃষ্টি হয়েছিল। পরবর্তীও তাকে সহজে কন্যা বলে গ্রহণ করতে পারেন নি।
পদ্মাপুরাণের কাহিনী বৈচিত্রময় অথচ শিক্ষাপ্রদ বাঙালির সমাজ জীবনে সঙ্গে ঐ কাব্য অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িয়ে আছে। বাংলা মাঠে-ঘাটে আজও শোনা যায় মনসার গীতি…. কুটীরে কুটীরে শোনা যায়। বেহুলা লক্ষ্মী নন্দনে উপাখ্যান।নারীর সতীত্বের, শিক্ষা, ধর্মনিষ্ঠা ঐ গ্রন্থের এক আদর্শময় অধ্যায়।