শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঋণের টাকাই কাল হলো পলাশের, দুই অবুঝ সন্তানকে কোলে নিয়েই ঘাতক স্ত্রী আদালতে মোরেলগঞ্জে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় জনস্রোত, সম্প্রীতির বার্তায় মুখরিত শহর বরগুনা হাসপাতালে নার্সকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন দেশ ও জাতির স্বার্থে আর্দশ নাগরিক গঠনের বিকল্প নেই – প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি অবৈধ ড্রেজার ব্যবসায়ী সেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার ভুয়া এনআইডি আর জাল দলিল: ব্যাংক থেকে কোটি কোটি টাকা লোপাটের নতুন ফাঁদ! বেতাগীতে বসতঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার আদমদীঘিতে অবৈধভাবে সার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড-জরিমানা কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দুর্যোগকবলিত নেপালকে ১০ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা প্রদান করল বাংলাদেশ

কিশোরগঞ্জে আলোচিত শিক্ষিকা মৌসুমী হত্যা মামলায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন

ভ্রাম্যমাণ রিপোর্টার :
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৮১৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের বহুল আলোচিত শিক্ষিকা আতিয়া জাহান মৌ (মৌসুমী) হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ইউসুফ হায়দার রিফাতকে (৩৬) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক সুপ্রিয়া রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার পাঁচ আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত ইউসুফ হায়দার রিফাত কিশোরগঞ্জ শহরের খরমপট্টি এলাকার নাসির উদ্দিন হারুনের ছেলে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ৬ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর দুপুর আড়াইটার মধ্যে যেকোনো সময় কিশোরগঞ্জ শহরের বত্রিশ এলাকার নিজ বাসায় শিক্ষিকা আতিয়া জাহান মৌসুমীকে হত্যা করা হয়। তদন্তে প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে উঠে আসে।

হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে সাজানোর উদ্দেশ্যে নিহতের মরদেহ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এ ঘটনায় নিহতের মা কবিতা আক্তার কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা তিনজনকে সন্দেহভাজন আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে পুলিশ ইউসুফ হায়দার রিফাতসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় একাধিক সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, আলামত উপস্থাপন এবং রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন। রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, প্রধান আসামি ইউসুফ হায়দার রিফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার বাকি চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..