রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএর সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ বেতাগীতে বিধবা গৃহবধূকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ রেলের টেন্ডারে শত কোটি টাকার কারসাজির অভিযোগের কেন্দ্রে ‘আফসার’ সিন্ডিকেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র সেকেন্ড ডিজি খ্যাত বদলি ও ঘুষ বাণিজ্যের গডফাদার মাসুম বিল্লাহ কি আইনের উর্ধ্বে আদমদীঘিতে শুমারি স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগে ফলাফলে প্রশংসা, নির্বাচিতদের আ.লীগ ট্যাগে প্রচারণা মেধার স্বীকৃতি হিসেবে ৪২ মেধাবী শিক্ষার্থীকে ‘রাজকীয়’ সম্মাননা দিলো মোরেলগঞ্জ মডেল একাডেমি তাড়াইলের গজেন্দ্রপুর দালানবাড়ি মাদরাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ভিত্তিহীন: তদন্ত কমিটি আইসিটি বিভাগের যুগ্মসচিব সাইফুল হাসানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ যশোরের বসুন্দিয়া ভূমি কর্মকর্তা পলাশের ‘হাদিয়া’র নামে ওপেন সিক্রেট ঘুষ বাণিজ্য: মাদ্রাসার জমি নামজারিতেও ৪০ হাজার টাকা ঘুষ! ধানমন্ডিতে ১২ বছরের গৃহকর্মী শিশু রিক্তার মৃত্যু: অভিযুক্ত পাউবো প্রকৌশলী সবিবুর রহমান দম্পতির ১৫ দিনে জামিন, নেপথ্যে টাকা নাকি চাপ?

বিআইডব্লিউটিএর সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৭৫২ বার পঠিত

বিআইডব্লিউটিএ সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা (বিভাগীয় মামলা সেল) আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়া গেছে

অভিযোগের ভাষ্যমতে বিআইডব্লিউটিএ ভবনের ষষ্ঠ তলায় তার অফিস। অভিযোগ রয়েছে যে, দীর্ঘ ১৫ বছর তিনি একই চেয়ারে থেকে কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের নামে বেনামি চিঠি লেখা, তাদের নামে বিভাগীয় মামলা দেওয়ার পরে তাদের ডেকে এনে বদলী ও সাসপেন্ডের ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন

অভিযোগ মতে চাকরি দেওয়া, বদলি বাণিজ্য করা, ঘাটের টেন্ডার ইজারা দেওয়া- সব জায়গায় হস্তক্ষেপ করেন তিনি। বিআইডব্লিউটিএর সাবেক সচিব ওয়াকিল নেওয়াজকে না হলেও দশ কোটি টাকা ইনকাম করে দিয়েছেন এ পথে। নিজেও হাতিয়েছেন প্রায় ২০ কোটি টাকা। তিনি একই চেয়ারে দীর্ঘ ১৫ বছর চাকুরী করছেন। তার কোন বদলী হয়না, এ বিষয়ে কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার গোমতী নদীর ওই পারে তিনি কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে বিশাল একটি বাংলো বাড়ী নির্মাণ করেছেন। এলাকায় তিনি দানবীর হিসেবে পরিচিত। কুমিল্লা শহরে কোতোয়ালি থানার পাশে মুগলটুলিতে জামে মসজিদের পাশে সাততলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। তার নামে দুটো প্রাইভেট কার আছে। সেগুলো তিনি বাড়িতে গেলে ব্যবহার করেন। এলাকায় তার বিশাল মাছের ঘের ও গরুর খামার রয়েছে। এলাকায় সবাই জানেন যে, তিনি সচিব পদমর্যাদায় চাকরি করেন। ঢাকায় তিনি আলিশান ফ্ল্যাটে থাকেন এবং একাধিক ফ্ল্যাটের ক্রয় করে ভাড়া দিয়েছেন। সব মিলিয়ে তার বেতন ৬০ হাজার টাকা। সেখানে এত সম্পদ কিভাবে করলেন সেটাই এখন সকলের প্রশ্ন

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, “আমার সকল সম্পদ বৈধ। আমি কোন অনিয়ম, দুর্নীতি করি না। একই কর্মস্থলে ১৫ বছর চাকুরী করার বিষয়ে বলেন, আমার কর্তৃপক্ষ আমার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে একই কর্মস্থলে রেখে দিয়েছেন। এটা কোন অপরাধ নয়।”

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগি এই কর্মকর্তা দীর্ঘ ১৫ বছর কিভাবে একই কর্মস্থলে রয়েছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তারা বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান ও আয়ের সাথে সংগতিহীন সম্পদ অর্জনের বিষয়ে দুদকের তদন্ত প্রার্থনা করেছেন

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..