পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বাহারুল আলম বলেছেন, পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ধর্মীয় চর্চা আমাদেরকে ধর্মের প্রতি নিষ্ঠার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
প্রতিযোগীদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, আপনাদেরকে পুলিশি কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকতে হয়। তবুও আপনারা আযান ও কেরাত চর্চা করে যাচ্ছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আজ শুক্রবার বাদ জুম্মা পুলিশের বার্ষিক আযান, কেরাত, রচনা ও পুরস্কার বিতরণী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ধর্মীয় চর্চার অংশ হিসেবে প্রতি বছরের মতো এবারও আযান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় বলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে আইজিপি বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট, সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেন। এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. মতিউর রহমান শেখ। এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতায় আযানে প্রথম হয়েছেন র্যাব-৮, বরিশালের এএসআই সিরাজুল ইসলাম, দ্বিতীয় হয়েছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসআই (সশস্ত্র) মো. ওমর ফারুক এবং তৃতীয় হয়েছেন যৌথভাবে যথাক্রমে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসআই (নিরস্ত্র) এম মহিউদ্দিন এবং ৩ এপিবিএন, শিরোমণি, খুলনার নায়েক আবু মুসা।
কেরাতে প্রথম হয়েছেন ৩ এপিবিএন, শিরোমণি, খুলনার নায়েক আবু মুসা, দ্বিতীয় হয়েছেন পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ-এর নায়েক খান হাসিবুর রহমান এবং তৃতীয় হয়েছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসআই (সশস্ত্র) মো. ওমর ফারুক।
কেরাতে নারী পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বিজয়ী হয়েছেন ১১ এপিবিএন, উত্তরা, ঢাকার কনস্টেবল নাদিয়া নাছরিন নূপুর।
‘ইসলাম ও নাগরিকের অধিকার’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এএসআই (নিরস্ত্র) মো. মারুফুল ইসলাম, দ্বিতীয় হয়েছেন যৌথভাবে যথাক্রমে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কনস্টেবল মেহেদী হাসান এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের উচ্চমান সহকারী শেখ রেজাউল কবীর এবং তৃতীয় হয়েছেন ৩ এপিবিএন, শিরোমণি, খুলনার কনস্টেবল মো. ইনামুল হাসান।
পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট থেকে বাছাইকৃত পুলিশ সদস্যগণ ঢাকায় চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানে আযান ও কেরাতে প্রথম স্থান অধিকারীগণ আযান দেন এবং কোরআন তেলাওয়াত করেন।