বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কামিল পাস করেও চাকরির অপেক্ষা নয়, ফাস্টফুড ব্যবসায় সফল শারমিন আমতলীতে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার জনতা ব্যাংক পিএলসি নান্দাইল রোড বাজার শাখা স্থানান্তরের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ : ১০১ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগ তাড়াইল সদর ইউনিয়নে দুঃসময়ের সুহৃদ সাথী নূরে আলম সিদ্দিকী বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম-পরিচালক মাহফুজ উল আলমের বিরুদ্ধে ঠিকাদারি ও কমিশন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপির উদ্যোগে অতিরিক্ত ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বরাদ্দ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় সক্রিয় ছিনতাই চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার বদলি আদেশ গায়েব করে এক যুগ ধরে সিএফ কার্যালয়ে হিসাবরক্ষক ইউছুপ: ৯ ডিভিশন থেকে মাসোহারা ও কোটি টাকার বদলি বাণিজ্যের চাঞ্চল্যকর তথ্য বিসিএসআইআর স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশাসনিক ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

তিন লাখ টাকা চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় জমি দখল, মেরে ফেলার হুমকি!

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮৪৬ বার পঠিত

তিন লাখ টাকা চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিপাকে পড়েছেন বরগুনার আমতলী উপজেলার সোনাখালী গ্রামের আব্দুল গাফফার।

অভিযোগে জানা গেছে, স্থানীয় মনির আকন, মাহতাব প্যাদা, আলতাফ খান ও তাদের সহযোগীরা জোরপূর্বক ওই জমি দখল করেছেন। সন্ত্রাসীদের ভয়ে বর্তমানে গাফফার নিজ বাড়িতে ফিরতে পারছেন না। বাড়িতে এলেই প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন তারা।

সোমবার বিকেলে আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গাফফারের বাবা আব্দুল মান্নান এ অভিযোগ করেন। তিনি দ্রুত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তার ছেলে গাফফার চলতি বছরের ৩ জুলাই মোস্তফা আনোয়ার চৌধুরীর কাছ থেকে ২৬.৩৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। এরপর থেকেই স্থানীয় মনির আকন, মাহতাব প্যাদা ও আলতাফ খান তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় শনিবার জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে তারা বাঁধা দেন এবং পরদিন রবিবার জোরপূর্বক জমি দখল করে ফসল রোপণ করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীদের ভয়ে তার ছেলে বাড়িতে ফিরতে পারছেন না এবং তিনিও বের হতে পারছেন না।

স্থানীয় জলিল হাওলাদারও অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আব্দুল গাফফারের ক্রয়কৃত জমি জোর করে দখল করেছে মনির আকন, মাহতাব প্যাদা ও আলতাফ খান।

তবে মনির আকন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো চাঁদা দাবি করিনি, আর ওই জমি আমি চাষও করিনি। জামাল নামে একজন সেখানে চাষ করেছে।

জমির বিক্রেতা মোস্তফা আনোয়ার চৌধুরী জানান, ২৬.৩৬ শতাংশ জমি আমি গাফফারের কাছে বিক্রি করেছি। ওই জমি অন্য কারও দখলে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

এ বিষয়ে আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, একজন ফোনে বিষয়টি জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..