মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:২০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আজ বাঙালি জাতির গৌরবময় মহান বিজয় দিবস নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত : সিইসি ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গণতন্ত্রের শক্ত ভিত্তি গড়ে দেবে : উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও আইজিপির শ্রদ্ধা জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে হাতপাখা প্রতীকের শক্তি প্রদর্শন: প্রার্থীর নেতৃত্বে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বেগম খালেদা জিয়াকে বিষ দিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিল : সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী কিশোরগঞ্জ-১ আসনে রিকশার শোডাউন: মুফতি হাদীর প্রচারণায় উৎসবমুখর শহর মির্জাগঞ্জের নবাগত ইউএনও’র সাথে এমজেএফ নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ জনশক্তি রপ্তানি: মালয়েশিয়া ‘চক্রের হোতা’ স্বপনের ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

প্রশ্ন ফাঁসে নিয়োগ পরীক্ষা, দাতা সদস্যের ছেলের বউয়ের চাকরি!

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৭৭০ বার পঠিত

বরগুনার আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কুতুবপুর ফাজিল মাদ্রাসায় প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে দাতা সদস্যের ছেলের বউকে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ নিজাম উদ্দিন আকনের যোগসাজশে দাতা সদস্য আব্বাস মৃধার ছেলের বউ আল্পনা আক্তারকে নিয়োগ দিতে দুই লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন ফাঁস করেন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ও ডিজির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।

পরীক্ষার্থী তামান্না ও সাবিনা আক্তার অভিযোগ করেছেন, প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে সাজানো নিয়োগ পরীক্ষায় আল্পনাকে চাকরি দেওয়া হয়। তাঁরা জানান, অধ্যক্ষ আল্পনাকে চাকরি দেওয়ার জন্য দাতা সদস্যের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নিয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁরা সোমবার মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, দুদক, বরগুনা জেলা প্রশাসক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

সূত্র জানায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসায় অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। ১১ জন প্রার্থী আবেদন করলেও লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয় ৯ জন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অধ্যক্ষের ছেলে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রেদওয়ানুল ইসলাম আবির আকন, ভাগ্নে আরিফুর রহমান এবং দাতা সদস্য আব্বাস মৃধার ছেলের বউ আল্পনা আক্তার।

গত শনিবার ৩৫ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ অনুসারে, পরীক্ষার আগেই আল্পনার কাছে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ না করেই পরদিন মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয় এবং রবিবার আল্পনাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা বলেন, এটা একটি সাজানো নিয়োগ বোর্ড। অধ্যক্ষের ছেলে, ভাগ্নে ও দাতা সদস্যের ছেলের বউ—এই তিনজনই উত্তীর্ণ হয়েছেন। এতে অনিয়ম হয়েছে, পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নিতে হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..