মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হিরু আর নেই সান্তাহারে পুলিশের ক্লিন অপারেশন: দুই নারী গ্রেফতার বেতাগীতে পল্লীবিদ্যুতের ভূতুড়ে ও অসঙ্গতিপূর্ণ বিলে গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ হরিরামপুরে জমি বিরোধে বোনকে মারধর, হোটেলে ভাঙচুরের অভিযোগ ভাই-ভাবির বিরুদ্ধে নান্দাইল উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাকে টিকিয়ে রাখা রাষ্ট্র, সমাজ ও মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব : তথ্যমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে প্রবাসীর বাড়িতে চুরির অভিযোগ আদমদীঘি উপজেলায় ইউএনও মাসুমা বেগম প্রশংসায় ভাসছেন ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৪৫৮ বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি

শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮১৬ বার পঠিত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ .....................ছবি: সংগৃহীত

বরগুনার আমতলী একে হাই সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আফরোজা জাহান তানিয়ার বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুনতাহা নুহাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা জুলেখা আফরোজ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমতলী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. সফিউল আলম তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। সহকারী শিক্ষা অফিসার সুব্রত কুমার দাশকে প্রধান করে গঠিত এ কমিটিকে আগামী রবিবারের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, জুলেখা আফরোজ কলির মেয়ে মুনতাহা নুহা আমতলী একে হাই সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। অভিযোগে বলা হয়েছে, শিক্ষক আফরোজা জাহান তানিয়া দীর্ঘদিন ধরে ওই শিক্ষার্থীকে অকারণে গালাগাল ও নির্যাতন করে আসছেন। গত ১৯ নভেম্বর মডেল টেস্ট পরীক্ষার দিন হলে প্রবেশের আগে শিক্ষার্থী নুহাকে গালাগাল ও মারধরের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

শিক্ষার্থী মুনতাহা নুহা বলেন, শিক্ষিকা তানিয়া আপা প্রায়ই আমাকে গালাগাল করেন এবং মারতে উদ্যত হন। পরীক্ষার দিন হলে ঢোকার আগে গালাগাল করায় আমি ঠিকভাবে পরীক্ষা দিতে পারিনি।

শিক্ষার্থীর মা জুলেখা আফরোজ বলেন, বিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই তানিয়া আপা আমার মেয়েকে মানসিকভাবে কষ্ট দেন। গত বুধবারও পরীক্ষা শুরুর আগে আমার মেয়েকে ভয় দেখান। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ওই শিক্ষিকার শাস্তি দাবি করছি।

অভিযোগের বিষয়ে সহকারী শিক্ষক আফরোজা জাহান তানিয়া বলেন, আমার মেয়ে আর ওই মেয়ে একই শ্রেণিতে পড়ে। মডেল টেস্টের সময় আমার মেয়েকে সে বিরক্ত করছিল, তাই তাকে বারণ করেছি। কোনো খারাপ আচরণ করিনি।

আমতলী উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সুব্রত কুমার দাশ বলেন, তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছি। যথাসময়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

আমতলী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. সফিউল আলম বলেন, তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..