রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভূমিকম্পে ফাটল ধরা ভবনে বীমের পলেস্তারা ধস, আতঙ্কে অর্ধশতাধিক রোগীর হাসপাতাল ত্যাগ ভেজালবিরোধী অভিযানে বাজারের ৪৯ খাদ্যপণ্য প্রত্যাহার ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শুরু হলো অগ্নিঝরা মার্চ অসহায়দের পাশে নবজাগরণ: ১৩০ পরিবার পেল ইফতার সহায়তা তাড়াইলে অগ্নিকাণ্ড: প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি শপথ করি যেন আমাদের কাজগুলো মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য হয়: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে আটকা পড়েছে হাজারও বাংলাদেশি ওমরাহ হজযাত্রী যমুনা ছেড়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস ময়মনসিংহ তথ্য কমপ্লেক্স গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আমতলীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগ কার্যালয়ে ব্যানার ও পতাকা উত্তোলন

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৭৫৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বরগুনার আমতলী উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কার্যালয়ে ব্যানার টানানো ও পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ মতিন খানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও বর্তমানে যুবলীগের কর্মী টিপু এবং মশিউর রহমান লিটন শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮ টার দিকে ওই কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের ব্যানারের ছবি টানান এবং পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময়ের ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিষিদ্ধ ঘোষণার পর থেকে কার্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করছিলেন নেতাকর্মীরা। তবে হঠাৎ করে পুনরায় ব্যানার টানানো ও পতাকা উত্তোলনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ বিষয়টিকে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ মতিন খান বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বৈঠকে শেখ হাসিনার নির্দেশ ছিল, ভাঙা, দখলকৃত বা পোড়া অবস্থায় থাকা দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও ব্যানার টানিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে হবে।

মতিন খান আরও বলেন, আমরা হামলা-মামলা ভয় করি না। নেত্রী আদেশ দিলে আমরা আবারও রাজপথে নামবো।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. জালাল উদ্দীন ফকিরকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি। তাদেরকে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..