সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রিমিয়ার স্টিল মিলে দূষণ, দুর্ঘটনা, নিরাপত্তাহীনতা ও বায়ু দূষণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ আমতলী-তালতলী সড়কে মৃত্যুঝুঁকি, দ্রুত সংস্কার চান এলাকাবাসী আমতলীতে ৫ কোটি টাকার সড়ক প্রকল্পে ধস, কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন আমতলীতে সাইবার নিরাপত্তা ও বুলিং বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত আমতলীতে হাজী বাড়ির বাইতুল মামুর জামে মসজিদে পয়োবর্জ্যের দুর্গন্ধে দুর্ভোগে মুসল্লিরা লাইফ সাপোর্টে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প! মোরেলগঞ্জে বিআরডিবির সমবায় সমিতির ম্যানেজিং কমিটি দুর্নীতি ও ফ্যাসিস্টমুক্তভাবে গঠনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন আদমদীঘিতে দলিল লেখক সমিতির আয়োজনে এমপিকে সংবর্ধনা তাড়াইলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান মোরেলগঞ্জে জলবায়ু, পরিবেশ ও মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি

তাড়াইলে জমি ধ্বংসের প্রতিবাদে মানববন্ধন

জুবায়ের আহমাদ জুয়েল (কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি):
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৮২১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

তাড়াইলে কৃষকদের না জানিয়ে ‘বেরিবাধ নির্মাণ’ প্রকল্পের নামে জোরপূর্বক ১০০ একরেরও অধিক আবাদি জমি ধ্বংস এবং কৃষকদের সর্বনাশ ও নিঃস্ব করার অভিযোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে ভুক্তভোগীরা।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় তাড়াইল উপজেলা পরিষদের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, কোনো পূর্বঘোষণা বা যথাযথ ক্ষতিপূরণ ছাড়া জোরপূর্বকভাবে কৃষিজমিতে কাজ শুরু করা হয়েছে, যার ফলে শতাধিক একর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে এবং বহু পরিবার আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে।
কৃষকদের অভিযোগ, প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি এবং জমির মালিকানার বিষয়টি উপেক্ষা করে প্রশাসনিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। এতে তারা চরম অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা থেকে ক্ষতিগ্রস্ত জমির যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান, ক্ষয়ক্ষতির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং কৃষকদের মতামত নিয়ে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানা যায়, কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল সিভিল জজ আদালতে নালিশী জমি নিয়ে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে (মোকদ্দমা নং ৩৭/২০২৬)। মামলার তায়দাদ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫,০০০ টাকা।
বাদীপক্ষের মধ্যে রয়েছেন আজিজুর রহমান গংসহ মোট ১১ জন। বিবাদীপক্ষ করা হয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ, সহকারী কমিশনার (ভূমি), জেলা প্রশাসকসহ মোট ৯ জনকে।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, বাদীগণ দীর্ঘদিন ধরে আর.এস রেকর্ডভুক্ত জমিতে স্বত্ব ও দখল বজায় রেখে চাষাবাদ করে আসছেন। পূর্বপুরুষদের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বিভিন্ন খতিয়ানভুক্ত জমিতে তারা প্রায় ৬০ বছরের বেশি সময় ধরে ভোগদখলে আছেন বলে দাবি করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিবাদীপক্ষ নালিশী জমিতে বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় এবং বাদীদের উচ্ছেদের হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে পুনরায় বেদখলের আশঙ্কা সৃষ্টি হলে আদালতের শরণাপন্ন হন বাদীগণ।
বাদীপক্ষের দাবি, বিবাদীদের জমিতে প্রবেশ বা বাঁধ নির্মাণের কোনো আইনগত অধিকার নেই। তাই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এবং স্থায়ীভাবে যেন বাদীদের জমি থেকে উচ্ছেদ বা বাঁধ নির্মাণ না করা হয়, সে মর্মে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতের কাছে প্রার্থনা জানানো হয়েছে।
মামলাটি বর্তমানে আদালতের বিবেচনাধীন রয়েছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..