বরগুনার আমতলী উপজেলায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে এক ব্যক্তির জমি দখল করে সেখানে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আলমগীর হাওলাদার ও সুমন আকনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের হরিমৃত্যুঞ্জয় গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী আলী হোসেন কাজী এমন অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি আলমগীর হাওলাদার ও সুমন আকন আলী হোসেন কাজীর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ক্ষুব্ধ হন। পরে গত বুধবার আলমগীর হাওলাদার ও সুমন আকনের নেতৃত্বে মোস্তফা কাজী, ইব্রাহিম, জাকির ও শাকিলসহ ১০-১৫ জন লোক তার জমিতে জোরপূর্বক একটি ছাপড়া ঘর নির্মাণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আলী হোসেন কাজী বলেন, তিনি বাড়িতে একা থাকেন এবং তার দুই ছেলে নারায়ণগঞ্জে থাকেন। এই সুযোগে আলমগীর ও সুমন দীর্ঘদিন ধরে তাকে নানাভাবে হয়রানি করছেন। তিনি বলেন, চাঁদা না দেওয়ায় তারা আমার জমিতে জোর করে ঘর তুলেছে। বাধা দিলে আমাকে গালাগালি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
সোমবার সরেজমিনে গিয়ে ওই জমিতে একটি ছাপড়া ঘর নির্মিত হতে দেখা গেছে। স্থানীয় কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আলমগীর ও সুমনের নেতৃত্বে ঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। সুমন আকন বলেন, তিনি শুধু মোটরসাইকেলে করে মোস্তফা কাজীকে ওই বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। আলমগীর হাওলাদার জমিতে ঘর তোলার কথা স্বীকার করলেও চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।