দেশের সরকারি ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান গণপূর্ত অধিদফতর এখন এক বিতর্কিত কর্মকর্তার একক ইশারায় চলছে। সংস্থাটির শীর্ষ পদ, অর্থাৎ প্রধান প্রকৌশলীর চেয়ার বদলের পর থেকেই নানা আলোচনা ও
সরকারের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও নীতিনির্ধারণী পদে থাকার সুবাদে ক্ষমতার অপব্যবহার, শুল্ক ফাঁকির সিন্ডিকেট তৈরি এবং পদ-পদবির অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে হাজার কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক
আওয়ামী রাজত্বের অবসান ঘটলেও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে দরপত্রে অনিয়ম, বদলি বাণিজ্য ও চাঁদা আদায়ের হরিলুট চলছেই। ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলেও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেতরের মাফিয়া চক্রের চেনা চিত্র এক চুলও বদলায়নি। অভিযোগ রয়েছে,
রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডে (আরপিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সিলেকশন কমিটির সুনির্দিষ্ট মূল্যায়ন এবং মেধাতালিকা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে
গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে ঘিরে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর ও জুলাই গণহত্যা মামলার আসামী (বিজ্ঞ
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল (ই/এম) বিভাগ-১১, ঢাকার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক কমিশন বাণিজ্য, ফাইল আটকে রাখা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে ভুক্তভোগী ঠিকাদারেরা
এলটিএম (Limited Tendering Method) পদ্ধতির পরিবর্তে অভিনব কায়দায় ওটিএম (Open Tendering Method) পদ্ধতিতে একের পর এক দরপত্র আহ্বান করে বিশাল ‘টেন্ডার বাণিজ্য’ ও কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
সাবেক নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর আস্থাভাজন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবুল কালাম আজাদ মোল্লা, কর্মস্থল–বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ–পরিবহন কর্তপক্ষ (BIWTA) চিলমারী নদীবন্দর স্থাপন প্রকল্পের প্রজেক্ট ডিরেক্টর (PD) পদে নিয়োজিত আছেন।
রসায়নের ছাত্র থেকে কথিত ‘ফাইভ স্টার’ প্রফেসর। ভুল চিকিৎসা আর মেয়াদহীন স্টেম সেল বাণিজ্যে উত্থান। চটকদার বিজ্ঞাপন, ধর্মীয় আবেগের অপব্যবহার এবং ‘অলৌকিক চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি’ এসবকে পুঁজি করে দেশে গড়ে উঠেছে
প্রায় তিন কোটি মানুষের শহর রাজধানী ঢাকা। বিশাল ইট-পাথর ধুলোবালি আর ভিড়ের এই শহরে একটু শান্তিতে শ্বাস নেওয়ার জায়গা কমে আসছে দিন দিন। দিনের ক্লান্তি শেষে মানুষ একটু খোলা বাতাসের