রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তাহসিফ হত্যা: ‘জুনিয়র বন্ধু’ ৪ দিনের রিমান্ডে তাড়াইলে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ঝিটকা খাজা রহমত আলী কলেজে ফল বিপর্যয়, ফেল ৬৮ শতাংশ শিক্ষার্থী আমতলীতে আগুনে পুড়ল দুই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ক্ষতি ২৫ লাখ টাকা মোরেলগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে আইডিয়াল জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন মোরেলগঞ্জে বেতকাশি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে শিক্ষা অফিস এইচএসসিতে পাশ করা সবাই উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পাবেন: শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ ‎বাড্ডা থানার এসআই হানিফের বিরুদ্ধে গভীর রাতে যুবতী নারীর বাসায় অনধিকার প্রবেশ, ভাঙচুর ও লুণ্ঠনের অভিযোগ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন শুরুর অনুমোদন

ভোলার চরাঞ্চলের গাছে গাছে ঝুলছে হাইব্রিড জাতের ঝিঙ্গা ॥

সাব্বির আলম বাবু (নিজস্ব প্রতিবেদক):
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ৩১ মে, ২০২৩
  • ৫৯৮৯ বার পঠিত

ভোলার চরাঞ্চলের গাছে গাছে ঝুলছে হাইব্রিড জাতের ঝিঙ্গা। ঝিঙ্গার ফলন ও বাজার দাম পেয়ে ব্যাপক খুশি কৃষক। আর এ সব ফসল ভোলা ছাড়িয়ে চলে যাচ্ছে অন্যান্য জেলায় । ভালো দাম পেয়ে কৃষকরাও খুব খুশি। ঝিঙ্গা এখন কৃষকদের কাছে অতি লাভ জনক ফসল। তরকারী হিসেবে ঝিঙ্গা একটি সু স্বাধু শবজি।

ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের চর চটকি মারার গাগুরিয়া চরের কৃষক হাফিজ চৌকিদার। চরের জমি লগ্নি নিয়েই তার কৃষিকাজ। গত দুই বছর ধরে সখের বসে ঝিঙ্গা চাষ করে আসছেন মাত্র ৫শতাংশ জমিতে। প্রথমদিকে ভালো ফলন দেখে পরবর্তিতে ১০ এবং এ বছর ২০ শতক জমিতে জিঙ্গা চাষ করেন। গেলো কার্তিক মাসে জমি চাষ দিয়ে ২০ শতক জমিতে ছয়শত ঝার তৈরী করেন। প্রতিটি ঝাড়ে তিনটি করে হাইব্রিড মেটাল সিটের ইউরেকা জতের বীজ বপন করেন। মাত্র দেড় মাসের মাথায় ফল ধরতে শুরু করে। সর্বপোরি তার খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকা।

ইতেমধ্যে তিনি বিক্রি করেছেন ৫০ হাজার টাকা। প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে। খেতে এখনও রয়েছে সারি সারি জিঙ্গে দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। এখনও যে ফসল রয়েছে তা লক্ষাধিক টাকা বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশবাদি। আর এগুলো চলে যায় কিছু অংশ ভোলার বাজারে আর বাকিগুলো চলে যায় খুলনা, ঢাকা ও যশোর। চর থেকে নদী পথে গিয়ে বাসে করে নিয়ে যাওয়া হয় অন্যত্র পরিবহনও সহজ বলে জানান তিনি। তার এখানে ৪/৫ জন লোক কাজ করে জিবীকা নির্বাহ করে আসছে। ঐ চরে আরো কয়েকজন এ চাষে জুকেছে তার দেখাদেখি তারাও ফলন পেয়েছেন ভালো। ঝিঙ্গে চাষে পরিশ্রম একটু বেশি হলেও ভালো ফলন, চাহিদা বেশি ও লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকরা খুশি। ঐ চরের কৃষক মোঃ ইসমাইল, মোঃ লোকমান জানান, তারা হাফিজ চৌকিদারের জমিতে কাজ করেন। তবে আগমীতে নিজেরাই ঝিঙ্গে করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মেটাল এগ্রো লিমিেিটডের মার্কেটিং অফিসার জানান, তারা প্রথমে কৃষকদের সাথে বিভিন্ন সভা ও সমাবেশ করে এ জাতের বীজ চাষ করতে আগ্রহী করেছেন। ফলে এবার চরে ভালো ফলন হয়েছে। ঝিঙ্গার সাইজ, কালার ও বাজার দাম খুবই ভালো।

ইলিশা জংশনের মেটাল সিটের পরিবেশক মোঃ আবদুর রব দুলাল মিজি জানান, তাদের পরামর্শে এখন ভোলায় তাদের ২০ কেজি মেটাল ইউরেকা ঝিঙ্গা বিজ এর মার্কেট রয়েছে। কৃষকরা ভালো ফলন দেখে এ জাতের ঝিঙ্গা চাষ করতে বেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে।

ভোলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাসান ওয়ারেসুল কবির জানান, ভোলায় এ বছর ৩২৫ হেক্টর জমিতে জিঙ্গা আবাদ করা হয়েছে। প্রতি হেক্টরে ১৮ মেট্রিক টন ফলন আসছে। কৃষি বিভাগ তাদের উপ সহকারীদের মাধ্যমে কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে আসছে। এ ধার অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে ঝিঙ্গা কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে সহায়ক হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..