বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আমতলীতে ছাত্রীদের ওয়াস রুমের ভিডিও ধারণ ও উত্ত্যক্ত করা শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক বছরেও শাস্তি হয়নি বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও ঝরে পড়া রোধে নান্দাইলে অঙ্গীকার বেতাগীতে ৪০ কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধিত, আদরীর দায়িত্ব নিল জনকল্যাণ পরিষদ তাড়াইলে দিনব্যাপী শিক্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জে সাংবাদিকের বাসায় চুরির চেষ্টা, শাবল ফেলে পালালো চোর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন কাঠালিয়া-রাজাপুরের গণমানুষের নেতা মো. হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যম বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি রূপগঞ্জে ৫৪ মোবাইলসহ চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার নান্দাইলে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা

বিএনপির চলমান অবরোধে জনগণের অংশগ্রহণ নেই : জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৫৯৯৭ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি শাখার সভাপতি কলিম উদ্দিন মিলনের নেতৃত্বে বিএনপির একটি সমাবেশ থেকে মিডিয়াতে প্রচারিত অন্তত দুটি বাস ভাংচুরের ভিডিও তুলে ধরে চলমান অবরোধে জনগণের অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে তার পুর্বের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সমকালের ধারণকৃত ও প্রচারিত ভিডিও অনুযায়ী ৮ নভেম্বর বিএনপি নেতা কলিমের নেতৃত্বে কয়েকজন মদনপুর অবরোধ করে। তারা লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে সিলেট মহাসড়কের মোড় অবরোধ করে এবং ভাঙচুর চালায়। ভাঙচুরের সময় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম ও সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলামকেও লাঠি হাতে দেখা গেছে।
সজীব ওয়াজেদ তার ভেরিফায়েড এক্স হ্যান্ডেল (পূর্বে টুইটার) থেকে এই ধরনের মিডিয়া প্রতিবেদন সংকলন করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সুনামগঞ্জে তাদের আকস্মিক উপস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে মোড়ের দোকানদাররা তাদের দোকান-পাট বন্ধ করে দেয়। এসময় তারা লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে একটি বাস ভাঙচুর করে। পালাক্রমে হামলায় আরেকটি সিএনজি চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভাঙচুরের সময় ও পরে ‘অবরোধ চলবে’, ‘জ্বালো, জ্বালো’, ‘জিয়ার সৈনিক’ স্লোগান দেওয়া হয়।
পরে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মিলন হামলাকারীদের স্বাগত জানান এবং একটি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দেন যেখানে তিনি কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দেন।
ভিডিওতে প্রায় ২০ জন লোকের উপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে, সজীব ওয়াজেদ লিখেছেন ‘বক্তৃতা চলাকালীন, তিনি দাবি করেন যে অবরোধে দেশবাসীর সমর্থন রয়েছে। কিন্তু মিডিয়ায় সম্প্রচারিত ভিডিওটিতে দেখা যায় যে এতে কোনো গণ অংশগ্রহণ ছিল না, শুধুমাত্র তার ২০ জন অনুগত ক্যাডারে একটি দল ছিল।’
আরও সহিংসতা চালাতে বললে একই দলটি আরেকটি বাস ভাংচুর করে এবং পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
এদিকে সন্ধ্যার পর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম মহানগর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সালাউদ্দিন কাদের আসাদের নেতৃত্বে অগ্নিসংযোগকারীদের একটি দল অবরোধ কার্যকরের আহ্বান জানিয়ে আরেকটি ঝটিকা সমাবেশ করে। ভিডিও অনুসারে যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনার রিপোর্টের মধ্যে তাদের আগুনের লাঠি বহন করতে দেখা যায়, যা পথচারীদের মধ্যে আতঙ্কের অনুভূতি সৃষ্টি করে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..