শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সান্তাহারে ৩ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি মহিত আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে জুয়েল খান, এখন বিএনপিপন্থী সংগঠনের প্রধান অতিথি বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেইল ও ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ঠিকাদার জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম ও নাহিদ উজ্জামানকে সংবর্ধনা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে আলোচনায় যারা গেজেট প্রকাশের দাবিতে অনশন কর্মসূচী পালন করছেন ৪৫তম বিসিএস গেজেটবঞ্চিরা বেতাগী থানায় নতুন ওসি এনামুল হক, ডিবিতে বদলি হারুন অর রশিদ হাওলাদার সরকারি চাকরি বিধিমালা উপেক্ষা করে নির্বাচনী প্রচারণায় কলেজের অধ্যক্ষ ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৩৬৬ রাষ্ট্রে সব ধর্মের মানুষের জন্য সমান অধিকার: প্রধানমন্ত্রী

বাড়ির উপর ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইন; বিপাকে বিয়ানীবাজারবাসী

বিয়ানী বাজার (সিলেট) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৯ মে, ২০২৫
  • ৫৮৮২ বার পঠিত

বসত বাড়ির উপর দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন থাকায় বিপাকে পড়েছেন বিয়ানীবাজার পৌরশহরের বাসিন্দারা।বসতঘর, বাড়ি এবং রাস্তার পাশ ঘেঁষেই হাতে ছোঁয়া দূরত্বে টানানো হয়েছে পল্লী বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন। সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিয়ানীবাজার জোনাল অফিসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকার এ রকম ৫ শতাধিক স্পটে ঝুঁকিপূর্ণ সঞ্চালন লাইন রয়েছে।

উপজেলার অন্তত: হাজারো বসতঘরের উপর দিয়েও বিদ্যুতের লাইন সঞ্চালন করা হয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে টানানো এসব সঞ্চালন লাইন সরাতে গেলে নানা দূর্ভোগের মধ্যে পড়েন ভূক্তভোগী গ্রাহকরা।

আসন্ন বৃষ্টি ও বন্যা মৌসুমকে সামনে রেখে বসতঘর-বাড়ি এবং রাস্তার পাশের বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন নিয়ে দু:শ্চিন্তায় পড়েছেন কয়েক হাজার গ্রাহক। সরেজমিনে বিয়ানীবাজার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন ও খুঁটি দেখা গেছে। লাইনগুলো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। হাত দিলে নাগালে চলে আসছে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঝুঁকিপূর্ণ লাইনের বিষয়ে অফিসে জানালে উল্টো নানা হয়রানির শিকার হতে হয়। এ অফিসে যথানিয়মে আবেদন করলেও বছরের পর বছর ঘুরতে হয়। এতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেখানে বাস করছেন সাধারণ মানুষ। উপজেলার বহু গ্রাহক ঘর-বাড়ির উপর দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ লাইন সরাতে পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসে ঘুরছেন।

তবে বিদ্যুৎ অফিসের দাবী ভিন্ন। তারা বলছেন, সাদা কাগজে আবেদন করলে আমরা লাইন সরানোর কাজ শুরু করি। এক্ষেত্রে দেখা যায় জমিজমা নিয়ে বিরোধ, একজন-আরেকজনের জমির উপর দিয়ে লাইন টানতে না দেয়াসহ নানা কারণে একট ুবেশী সময় লাগে।
বিয়ানীবাজার জোনাল অফিসের এজিএম (কম) মাহমুদুল হাসান বলেন, যেসব লাইন ঝুঁকিপূর্ণ আছে, হাতের নাগালে আছে; সেগুলো সরাতে আবেদন করলে আমরা ব্যবস্থা নেই। তবে এক্ষেত্রে কিছু দাপ্তরিক নিয়ম মানতে হয়। সিলেট থেকে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা এসেদেখার পর প্রতিদেন দেন। এরপর বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..