বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সক্রিয় উপস্থিতি দেশের রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন তাড়াইল উপজেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ জনাব রকিবুর রহমান খান রুজন।
তিনি বলেন, “বর্তমান সময়ে দেশের মানুষ দিশেহারা। গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ। এমন বাস্তবতায় জনাব তারেক রহমানের উপস্থিতি রাজনীতিতে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে।”
রুজন খান আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করলেও তারেক রহমান দলীয় নেতৃত্ব, রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। এখন তার উপস্থিতি মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। এতে করে বিএনপি আরও সুসংগঠিত হবে এবং জনগণের দাবি আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
তিনি মনে করেন, দেশের তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষ একটি গ্রহণযোগ্য, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রত্যাশা করছে। তারেক রহমানের নেতৃত্ব সেই প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক হতে পারে। “তিনি তরুণদের কথা বলেন, আধুনিক চিন্তা ধারণ করেন এবং সময়োপযোগী রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করেন,” যোগ করেন রুজন খান।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের নেতৃত্ব বিএনপিকে শুধু রাজনৈতিকভাবে নয়, সাংগঠনিকভাবেও নতুনভাবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলেও এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, তারেক রহমানের উপস্থিতি দেশের রাজনীতিতে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে পারে এবং গণতান্ত্রিক ধারাকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।
শেষে রুজন খান বলেন, “দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। সেই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা জনাব তারেক রহমানের রয়েছে। আমরা আশা করি, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাবে।”