বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বেগম জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মির্জাগঞ্জে শোক সভা ও দোয়া নান্দাইল প্রেসক্লাবের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হাদী হত্যা মামলার আসামি ফয়সালের সাড়ে ৬৫ লাখ টাকা ফ্রিজ তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ খালেদা জিয়া ইতিহাসে স্বতন্ত্র ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অধিকার করে আছেন: জাতিসংঘ মহাসচিব ভারতেই খেলতে হবে, আইসিসি এমন কথা বলেনি-বুলবুল এসএসসি পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ সফর: ৪ দিনের কর্মসূচি প্রকাশ তাড়াইলের ডিউটি অফিসার ইব্রাহিম কর্মদক্ষতা ও দায়িত্বশীলতায় অনন্য তাড়াইলে ক্ষুদে ফুটবলার রাহুল: মাঠে যেন মেসির প্রতিচ্ছবি

তাড়াইলে অপহরণ মামলায় দৃষ্টান্ত স্থাপন: প্রশংসায় ভাসছে ওসি জালাল উদ্দীন

জুবায়ের আহমাদ জুয়েল (কিশোরগঞ্জ):
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৭৫৭ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় এক অপহরণ মামলায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভিকটিম উদ্ধার ও প্রধান আসামি গ্রেফতারের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তাড়াইল থানা পুলিশ। এই সফল অভিযানের নেতৃত্ব দেন তাড়াইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দীন, যার দক্ষতা, সাহসী সিদ্ধান্ত ও আধুনিক পুলিশিং কৌশলের কারণে ভয়াবহ একটি অপরাধ থেকে রক্ষা পেয়েছে এক যুবকের জীবন।

জানা যায়, গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে তাড়াইল থানাধীন তালজাঙ্গা গ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে কামরুল ইসলাম (৩২) নামের এক যুবককে কৌশলে ডেকে নিয়ে অপহরণ করে সংঘবদ্ধ একটি চক্র। পরে অপহরণকারীরা ভিকটিমের পরিবারের কাছে ৩ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়, যা পরিবারকে চরম আতঙ্কে ফেলে দেয়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী মোছাঃ ফারজানা আক্তার তাড়াইল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওসি জালাল উদ্দীনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, মোবাইল ট্র্যাকিং ও গোয়েন্দা নজরদারির সমন্বয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ওসি জালাল উদ্দীনের কৌশলী নির্দেশনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানের এক পর্যায়ে পুলিশ ভিকটিম কামরুল ইসলামকে নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। একই সঙ্গে অপহরণ ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত প্রধান আসামি রনি মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। অন্যান্য জড়িত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে থানা সূত্র।

ভিকটিমের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী ওসি জালাল উদ্দীনসহ তাড়াইল থানা পুলিশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। ভিকটিমের পরিবারের জানান-“ওসি স্যারের তৎপরতা ও আন্তরিকতা না থাকলে হয়তো আজ আমাদের প্রিয়জনকে জীবিত ফিরে পেতাম না। তিনি আমাদের জন্য একজন অভিভাবকের মতো কাজ করেছেন।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, ওসি জালাল উদ্দীনের মতো দায়িত্বশীল ও মানবিক পুলিশ কর্মকর্তার কারণেই তাড়াইলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। তারা বলেন, অপরাধ দমনে তার কঠোরতা ও সাধারণ মানুষের প্রতি তার সহানুভূতিশীল আচরণ পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধন তৈরি করেছে।

এ ঘটনায় তাড়াইল জুড়ে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হয়েছে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, ওসি জালাল উদ্দীনের নেতৃত্বে বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..