সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আগামীকাল শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আমরা চাই সবার অংশগ্রহণে সুন্দর নির্বাচন: সিইসি উগ্রবাদের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের উদ্যোগে পটুয়াখালী-১ আসনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মির্জাগঞ্জে সরকারি কর্ম দিবসে যুব উন্নয়ন কার্যালয়ে ঝুলছে তালা পটুয়াখালী-১ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী এবি পার্টির ডাঃ ওহাব মিনার বিশিষ্ট লেখক আহমেদ আব্দুস সোবহানের স্মরণ সভা, দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি পটুয়াখালী জেলা শাখার পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত জামায়াত ছেড়ে একক নির্বাচনের ঘোষণা: তাড়াইলে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের উল্লাস ও মিষ্টি বিতরণ জিলফা জাহান ইন্নি’র মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মারক সংকলন প্রকাশ ও দোয়া মাহফিল

লঞ্চ ট্রাজেডিতে মির্জাগঞ্জের দগ্ধদের পাশে উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিকী

মাসুদ রানা জালাল জোমাদ্দার, মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৬৩৫৯ বার পঠিত

মাসুদ রানা জালাল জোমাদ্দার, মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

গত বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটিতে আগুন লাগে।

উক্ত লঞ্চটিতে পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলি সুবিদখালী ইউনিয়নের লেমুয়া গ্রামের শাহিন সিকদারের স্ত্রী আইরিন আক্তার রিনা (৩২), ছেলে রনি সিকদার (১৫) ও মেয়ে লিমা আক্তার (১৩)  লঞ্চের যাত্রী হিসেবে ছিলেন, তবে শাহিন সিকদারের স্ত্রী ও মেয়ে নিখোঁজ রয়েছেন এবং ছেলে রনি সিকদার (১৫) অগ্নিদগ্ধ হয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া মাধবখালী ইউনিয়নের কাফুলা গ্রামের সেলিম আকনের স্ত্রী ও উত্তর কিসমত শ্রীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহানারা আক্তার (৪২) ও স্বামী সেলিম আকনও এমভি অভিযান-১০ এ ছিলেন, শিক্ষক জাহানারা আক্তার এখনো নিখোজঁ রয়েছেন এবং তার স্বামী সেলিম আকন গুরুতর দগ্ধ হলে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে শুক্রবার বিকালে ঢাকায় নেয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে আগে থেকেই পরিষদের গুরুত্বপূর্ন কাজে ঢাকায় অবস্থান করা মির্জাগঞ্জের উপজেলা পরিষদের মানবিক চেয়ারম্যান খান মোঃ আবু বকর সিদ্দিকী ঢাকা থেকে সরাসরি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন রনি সিকদার ও অন্যান্যদের দেখতে যান এবং তাদের পরিবারের খোজঁ-খবর নেন এবং প্রয়োজনে তাদের সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস দেন।

রনি বলেন, রাত তিনটার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে ঘুম ভাঙে সবার। আগুন দেখতে পেয়ে মা-বোনকে নিয়ে রনি লঞ্চের ছাঁদে উঠে। একপর্যায়ে আগুনের তীব্রতা বাড়লে মা ও বোনকে নিয়ে লাফিয়ে নদীতে পড়ার সিদ্ধান্ত নেন রনি। কিন্ত বোন সাঁতার না জানায় রনির মা রাজি হয়নি। পরে রনির পায়ে আগুন লাগলে তিনি নদীতে লাফ দিয়ে তীরে উঠেন।

সর্বশেষ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অগ্নিদগ্ধ হয়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭০ জন। ঢাকায় পাঠানো হয়েছে ১৬ জনকে। আহত হয়েছেন শতাধিক।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..