আষাঢ়ের মেঘে আকাশ ঢাকা থাকে। কালো মেঘের দল আকাশ জুড়ে খেলা করে। মুষুলধারে বৃষ্টিতে চারিদিকের খাল-বিল ও মাঠ জলে ভরে যায়। দীর্ঘ দিন এমন পরিবেশ অনপুস্থিতি থাকলেও এবার আষাঢ়ের শেষ ভাগে চেনা রূপে ফিরেছে বর্ষা। নিম্নচাপ ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গত কদিন ধরেই ঢাকাসহ সারাদেশে বৃষ্টি হচ্ছে। উত্তরের নদ-নদীর পানি যেমন বেড়েছে, টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা দিয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা। পাশাপাশি ভূমিধসের মতো ঘটনায় এরই মধ্যে অনেকের প্রাণ গেছে। বিভিন্ন জেলায় আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে বন্যা পরিস্থিতির।
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।
এদিকে সাতকানিয়ায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। অসংখ্য বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।
বাঁশখালীতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে৷ বন্যার পানিতে পাঁচ শতাধিক মাটির ঘর ভেঙে গেছে। বুধবার (০৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে গেলে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বাঁশখালীর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাজারো মানুষ। দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক মাটির বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেলেও অনেকে এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
পুইছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা পারভেজ মোশারফ বলেন, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও সমুদ্রের জোয়ারের ফলে পুইছড়ি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশ মাটির ঘরও ভেঙে পড়েছে। বসতঘর পানিতে ডুবে যাওয়া রান্নাবান্না হচ্ছে না। তাই খাবারের জন্য কষ্ট পাচ্ছে মানুষ।
এদিকে সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের বুড়ির দোকান এলাকা, বাজালিয়া অলি আহমেদ বীর বিক্রম কলেজের সামনে এবং দস্তিদারহাটের পূর্ব পাশে সড়কের ওপর দিয়ে কয়েক ফুট উঁচু হয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।
ডলু নদী দিয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েকশ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। উপজেলার অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। অনেক এলাকায় এখনো পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
চন্দনাইশেও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার দুটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।
বুধবার সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের হাশিমপুর এলাকায় প্রায় দেড় ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ছোট যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ধীরগতিতে যান চলাচলের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
চন্দনাইশের বাসায় আবু নাসের আলিফ বলেন, ‘দিনেদিনে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। অনেক মানুষ না খেয়ে আছে।’
এদিকে টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে উত্তরের নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে তিস্তা চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট ও ফসলি জমিতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। জেলার পাঁচটি উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। চরাঞ্চলের অনেক সড়ক ডুবে যাওয়ায় নৌকা ও ভেলা এখন স্থানীয়দের প্রধান যাতায়াতের মাধ্যম।
পানির চাপ বাড়ার কারণে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং নদী তীরবর্তী উঁচু সড়কগুলোও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এসব বাঁধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, শুষ্ক মৌসুমে প্রয়োজনীয় সংস্কার না করে বর্ষাকালে জরুরি মেরামতের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়। অথচ আগেভাগে সংস্কার করা হলে বাঁধ আরও টেকসই হতো এবং নদীভাঙন ও বন্যার ক্ষয়ক্ষতিও কমানো যেত।
গোবর্ধন গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ বলেন, বিকেল থেকে পানি বাড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে চরাঞ্চলের বেশ কিছু বাড়িতে পানি উঠেছে। পানির চাপ দেখে মনে হচ্ছে বড় ধরনের বন্যা হতে পারে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়া বাঁধগুলো ভেঙে গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠবে। বন্যার সময় নদীপাড়ের মানুষ হিসেবে আমরা নির্ঘুম রাত কাটাই।
নদীপাড়ের শৈলমারী চরের বাসিন্দা আব্দুল গফ্ফর বলেন, কয়েক দিন ধরে পানি ওঠানামা করছিল, তবে আজ পানি অনেক বেশি বেড়েছে। অনেক বাড়িতে পানি ঢুকে মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের নিয়ে দুর্ভোগ বাড়ে। গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি রক্ষা করাও কঠিন হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে সাপ-পোকার উপদ্রবও বাড়ে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, উজানের পানির প্রবাহ অব্যাহত থাকায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বেড়েছে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে তিস্তা নদীতে পানির প্রবাহ বাড়তে শুরু করে। সন্ধ্যা ৬টায় পানির উচ্চতা বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচে রেকর্ড করা হয়েছে। তাই স্বল্পমেয়াদী বন্যা দেখা দিতে পারে। নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা
এদিকে সারাদেশে মৌসুমি বায়ু প্রবলভাবে সক্রিয় থাকায় দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে আগামী তিন দিন বৃষ্টিপাতের দাপট বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। একইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।
বর্তমানে উত্তরপশ্চিম মধ্য প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করায় দেশের সমুদ্র ও নদীবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
এ বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
অন্য এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে পূর্ব বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই কারণে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের প্রায় সব অঞ্চলের নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) আবহাওয়া অধিদফরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের সই করা পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাসে বলা হয়, শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা কিংবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময়ে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
পূর্বাভাসের শেষ ২৪ ঘণ্টায় অর্থাৎ আগামী পরশুর আবহাওয়ার চিত্রে দেখা যায়, বৃষ্টিপাতের এ ধারাবাহিকতা দেশের চার বিভাগে প্রবল থাকবে। ঢাকা, রাজশাহী, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং দেশের বাকি চার বিভাগে অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই দিনে আবারও ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের শঙ্কা রয়েছে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা বরাবরের মতোই প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
বর্তমানে রাজধানী ঢাকায় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে এবং গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৫ শতাংশ, যা বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্যকে নির্দেশ করে। আজ ঢাকায় সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১৮ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত যাবে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে। আবহাওয়াবিদদের তথ্যমতে, ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বর্ষণের কারণে নৌপথের যাত্রী এবং উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে হবে, তবে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে এসে দেশের বৃষ্টিপাতের প্রবণতা ক্রমান্বয়ে কমে আসতে পারে।