মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জাগঞ্জে মাছের ঘের থেকে ১০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন গ্রেফতার, মামলা দায়ের দেশে আরো একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে ২০২৪ সালে পরিদর্শন কর্মকর্তার মন্তব্যের পরও ২০২৫–২৬ সালের হাজিরা নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগ ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে থুতু নিক্ষেপ ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড একই অভিযোগে বারবার জরিমানা, তবুও বদলায়নি রহমানিয়া পাম্প ঢাকায় হচ্ছে আরেকটি মেট্রোরেল, একনেকে উঠছে প্রকল্প স্থানীয় সরকার নির্বাচন ১২ নভেম্বর শুরু: ইসি গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট মঙ্গলবার রাত থেকে আগের অবস্থায় ফিরবে: প্রধানমন্ত্রী নান্দাইলে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবার মান বাড়াতে আন্তঃসংলাপ

নেপালে মৃত বেড়ে ৬২৬, নিখোঁজ আড়াই হাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৮০২ বার পঠিত
ছবি : সংগৃহীত

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২৬ জনে দাঁড়িয়েছে । এখনও নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় আড়াই হাজার মানুষ। শনিবার (২৯ আগস্ট) নেপালি পুলিশ ও উদ্ধারকারীদের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, সেদেশে ১ হাজার ৯২৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। আর চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, তিব্বতে মোট নিখোঁজের সংখ্যা এখন ৫৫৪। এখন পর্যন্ত সেখানে সাতজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিতভাবে জানা গেছে।

ফলে মোট নিখোঁজ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৭৮ জনে। নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা শুক্রবার জানায়, ৫১৭ জন বিদেশি এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

আর চীনা কর্মকর্তারা শুক্রবার নিখোঁজ বিদেশির সংখ্যা ২৬০ বলে উল্লেখ করেছেন। সব মিলিয়ে এ অঞ্চলে নিখোঁজ বিদেশিদের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ৭৭৭।

নেপাল পর্যটন বোর্ড শুক্রবার জানায়, ৬২২ পর্যটক এখনো যোগাযোগের বাইরে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪৭৩ জন বিদেশি।

পর্যটন বোর্ড আরও জানায়, ১২১ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ওই অঞ্চলের বাসিন্দা এবং বিদেশি কর্মীসহ মোট কতজনকে উদ্ধার করা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়।

শুক্রবার নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৫৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে শনিবার ভোরে চীন সাতজনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে। সব মিলিয়ে মৃত অন্তত ৫৮৬ জন।

নেপাল পর্যটন বোর্ডের শুক্রবারের নতুন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তাদের তালিকাভুক্ত ৬২২ নিখোঁজ ব্যক্তির মধ্যে ১৪৯ জন নেপালি পর্যটক ছিলেন। তবে নেপাল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার হিসাবে এ সংখ্যা ১২৭।

এদিকে, শুক্রবার বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, নেপাল ও তিব্বত সীমান্তের ওপারে তিব্বত অংশে জমে থাকা একটি কৃত্রিম হ্রদের প্রাকৃতিক বাঁধটি শুক্রবার অবশেষে ভেঙে গেছে। এর ফলে পাহাড়ি নদীগুলোতে তীব্র বেগে নতুন করে বন্যার পানি ধেয়ে আসায় নেপাল ও চীনের উদ্ধারকর্মীদের অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বুধবার (২৫ আগস্ট) সকালে হঠাৎ করে রাসুয়ার দিকে ধেয়ে আসে আকস্মিক ঢল। এ সময় সেখানে ত্রিশূলি এবং নারায়নি নদীর পানি বেড়ে যায়। পাহাড়ের ওপর থেকে নেমে আসা পানিতে যুক্ত হয় ভূমিধসের কাদামাটি, পাথর। ফলে সবধরনের অবকাঠামো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘরবাড়ি, সেতু, গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি-সব ভাসিয়ে নিয়ে গেছে এটি।

নেপালের পাশাপাশি চীনের স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল তিব্বতও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চীন তিব্বতে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল। এরপর নতুন করে আর হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জানান, ভয়াবহ ওই বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..