বান্দরবানের লামা বন বিভাগের বিতর্কিত সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা (ডেুপটি রেঞ্জার) কে এম কবির উদ্দিনের সিন্ডিকেটের লাগামহীন দুর্নীতির মাত্রা যেন দিনদিন বেড়েই চলছে, অথচ সমগ্র পার্বত্য অঞ্চলের সবুজায়ন ধ্বংসকারী এই কর্মকর্তার
গণপূর্ত অধিদপ্তরের গণপূর্ত বিভাগ-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রায় ২ কোটি ৬৩ লাখ ২০ হাজার টাকার সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে দরপত্র আইডি ১২৫১৫৪২,
রাজধানীতে ভবন নির্মাতাগন রাজউকের অথরাইজড অফিসারগনের হাতে আজও জিম্মি হয়ে রয়েছে। যা দেখার কেউ নেই। অনুসন্ধানে জানা যায় রাজউকে বর্তমানে ২৪টি জোন থাকলেও সব জোনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নেই। সব মিলিয়ে
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) কর্মকর্তা মো. জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে বদলি–বাণিজ্য, প্রভাব খাটিয়ে পদায়ন এবং এক ঠিকাদারকে অপহরণ করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বিআরটিসির একাধিক কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং ভুক্তভোগী পক্ষের
১৩ লাখ টাকা ঘুষ দিলেই জাতীয় জাদুঘরে চাকরির নিশ্চয়তা দেন প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মচারী। চাকরিপ্রার্থীকে তিনি জানিয়ে দেন, টাকার পরিমাণ তার পক্ষে কমানো সম্ভব নয়। কেননা, তিনি শুধু যথাস্থানে টাকা পৌঁছে
বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অতিরিক্ত ডিআইজি ও মাগুরার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
গণপূর্তে বুয়েট ছাত্রলীগ নেতা নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ ঘুষ ছাড়া টেন্ডার ফাইল সই করেন না। নিজের খেয়াল খুশিমতো করেন সকল দাপ্তরিক কাজ। তাও আবার টাকা দিলে ফাইল পাস, আর
বন অধিদপ্তরের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়ের নাম ফরেস্ট রেঞ্জার মো: সুমন মিয়া। ২০২০ সালের ১ নভেম্বর রাজনৈতিক প্রভাব ও সাবেক বিতর্কিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের আশীর্বাদ নিয়ে বন বিভাগে যোগদানের
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে পরিচালক প্রশাসন হাবিবুল্লাহ ও সাময়িক বরখাস্ত কৃত সাবেক উপ পরিচালক প্রশাসন মুহাম্মদ মাহবুবুর রশীদ এর নেতৃত্বে নিয়োগ, বদলী বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া
দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মইনুল ইসলামকে রক্ষা করার জন্য অভিনব কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। তার করা দুর্নীতির প্রমাণপত্রের সত্যতা যাচাই করার জন্য