বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আমতলীতে আদালতের রায়ের পরও জমি চাষাবাদের অভিযোগ আমতলী বকুলনেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজে নবীন বরণ রূপগঞ্জে ডাকাতি হাওয়া স্বর্ণ উদ্ধার , ৫ ডাকাতসহ ধারালো উদ্ধার নান্দাইলে আনওয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ পরিদর্শন, শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় বরগুনায় ভারতীয় কাপড়ের বড় চালান জব্দ! রেড ক্রিসেন্টে নিয়োগ-নির্বাচন ঘিরে অস্থিরতা রোহিঙ্গা সংকটের সূচনা মিয়ানমারে, সমাধানও মিয়ানমারেই : তারেক রহমান সিলেট ভ্রমণ শেষে ফেরার পথে নিখোঁজ মোরেলগঞ্জের যুবক, সন্ধানে পরিবার দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল রূপগঞ্জের সিরাজগঞ্জ ফিনিশিং মিলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড কাপড়ের গোডাউন পুড়ে ছাই গোডাউন

আমতলীতে আদালতের রায়ের পরও জমি চাষাবাদের অভিযোগ

রিপোর্টারের নাম
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৭৫১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বরগুনার আমতলীতে আদালতের রায় রয়েছে দাবি করে একটি জমিতে চাষাবাদে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাধা দেওয়ায় জমির মালিক দাবিদার মামুন প্যাদাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চাষাবাদ বন্ধ করে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের চাউলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামুন প্যাদা বুধবার রাতে আমতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলে জানা গেছে।

মামুন প্যাদা ও তাঁর ওয়ারিশদের দাবি, নিলাম খরিদসূত্রে এবং আদালতের রায়ের মাধ্যমে তাঁরা চাউলা গ্রামের ৯ একর ৭৬ শতাংশ জমির মালিকানা পেয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।

মামুন প্যাদা জানান, ২০২০ সালে প্রতিবেশী হারুন মুসুল্লী, আমজেদ খাঁন ও তাঁদের সহযোগীরা ওই জমি নিজেদের দাবি করে চাষাবাদ শুরু করলে বিষয়টি নিয়ে আমতলী সহকারী জজ আদালতে মামলা করা হয়। পরে ২০২২ সালের ২৯ মে আদালত তাঁদের পক্ষে রায় দেন বলে তিনি দাবি করেন। এরপর থেকে তাঁরা জমিটি ভোগদখল করে আসছেন।

তাঁর অভিযোগ, বুধবার জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে হারুন মুসুল্লী, আমজেদ খাঁন ও তাঁদের সহযোগীরা তাঁকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও দাবি করেন।

মামুন প্যাদা আরও অভিযোগ করেন, আদালতের রায়ের বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার হারুন মুসুল্লী, আমজেদ খাঁন ও তাঁদের লোকজন ওই জমিতে চাষাবাদ শুরু করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চাষাবাদ বন্ধ করে দেয়। তিনি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আমজেদ খাঁন বলেন, “৯ দশমিক ৭৬ একর জমি গত প্রায় ৬০ বছর ধরে আমরা ভোগদখল করে আসছি। মামুন প্যাদা জোরপূর্বক ওই জমিতে চাষাবাদ করতে চাচ্ছেন। এ বছর তাঁকে জমিতে চাষাবাদ করতে দেওয়া হয়নি।” তিনি আরও বলেন, ওই জমিতে ৩৫ জন অংশীদার রয়েছেন এবং তাঁর অংশ মাত্র ২০ শতাংশ। এ বিষয়ে তিনি এর বেশি কিছু বলতে চান না।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে চাষাবাদ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..