কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলা গাইটাল এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেখানে সদর উপজেলা অবস্থিত। কিন্তু পৌরসভা বৃটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত হলেও পৌরবাসী পৌরসভার নাগরিক সেবা অনেকাংশে বঞ্চিত। বিশেষ করে গাইটাল এলাকার বাসিন্দারা ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষাকালে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় অথচ সদর উপজেলার পাশেই শোলমারা বিল যেখানে রয়েছে পৌরসভার পানি নিস্কাষনের সুন্দর ব্যবস্থা। কতৃপক্ষের চরম উদাসীনতায় গাইটালের বাসিন্দারা বেশি বৃষ্টি হলেই পানি বন্দী হতে হয় । এলাকাটি পৌরসভার এক প্রান্তে অবস্থিত হওয়ায় পৌরসভার কর্তৃপক্ষ এসব বিষয় নিয়ে সুচিন্তা করেনি।
যুগ যুগ পার হলেও পৌর কর্তৃপক্ষ শুধু আশ্বাসের বাণী শুনিয়ে যায়। এতে পানি নিস্কাষনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে প্রবল জলাবদ্ধতার তৈরি হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: কামরুল হাসান মারুফ সেপ্টেম্বর /২৫ যোগদান করলে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন এবং দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আশ্বাস দেন।
আসন্ন বর্ষার আগমনের আগেই যেন উক্ত মহল্লাবাসী ও সাধারণ জনসাধারণের নির্বিঘ্নে চলাচলের লক্ষ্য বিষয়টি দ্রুত সমাধানের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। যা এলাকাবাসী দীর্ঘ দিনের জলাবদ্ধতার ভোগান্তি থেকে রেহাই মিলতে যাচ্ছে। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো কামরুল হাসান মারুফ সেপ্টেম্বর যোগদানের পর থেকে নানা জনবান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হয়েছে। গাইটাল লিংক রোড বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মো: জয়নাল আবেদীন বলেন, আমি এক যুগের বেশি হয়েছে বাসা করেছি।
কিন্তু জলাবদ্ধতার কারণে এই এলাকায় বর্ষাকালে আত্নীয় স্বজন আসতে চায়না। ছেলেমেয়েদের স্কুল কলেযে পড়াশোনায় অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। মান্যবর ইউএনও পদক্ষেপ গ্রহণ করায় আমরা এলাকা বাসী অত্যন্ত খুশি। বিগত দিনে অনেক কর্মকর্তাদের দারস্থ হয়েছি কিন্তু আশার বানী শুনে সময় পার করেছে। বর্তমান কামরুল হাসান মারুফ স্যার আমাদের কষ্ট সরজমিন পরিদর্শন করে লাঘবের চেষ্টা করেন।
এ বিষয়ে এই এলাকার বাসিন্দা অধ্যাপক মো মাহবুবুর রহমান বাবুল যিনি নান্দাইল প্রেসক্লাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তিনি জানান, এই এলাকায় যারা আবাসন গড়ে তুলেছে তারা সবাই জলাবদ্ধতার শিকার। আধুনিক যুগে এসেও পৌরসভা নাগরিক সেবা না পাওয়ায় বাসিন্দারা হতাশ। বর্তমান জনবান্ধব উপজেলা নির্বাহী অফিসার যিনি উপজেলায় যোগদান করেই জলাবদ্ধতা এলাকা গুলো সরজমিন পরিদর্শন করেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন। ইতিমধ্যে তিনি বর্ষা আরম্ভ হবার পুর্বেই যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করায় আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
এই বিষয়ে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে পর্যায় ক্রমে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সমাধানের চেষ্টা করছি। সবাই এগিয়ে আসার আহবান জানান।