বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আমতলী বকুলনেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজে নবীন বরণ রূপগঞ্জে ডাকাতি হাওয়া স্বর্ণ উদ্ধার , ৫ ডাকাতসহ ধারালো উদ্ধার নান্দাইলে আনওয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ পরিদর্শন, শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় বরগুনায় ভারতীয় কাপড়ের বড় চালান জব্দ! রেড ক্রিসেন্টে নিয়োগ-নির্বাচন ঘিরে অস্থিরতা রোহিঙ্গা সংকটের সূচনা মিয়ানমারে, সমাধানও মিয়ানমারেই : তারেক রহমান সিলেট ভ্রমণ শেষে ফেরার পথে নিখোঁজ মোরেলগঞ্জের যুবক, সন্ধানে পরিবার দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল রূপগঞ্জের সিরাজগঞ্জ ফিনিশিং মিলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড কাপড়ের গোডাউন পুড়ে ছাই গোডাউন আদমদীঘিতে সাংবাদিক ও তাঁর বাবাকে মারপিট মামলায় গ্রেপ্তার ১

গণপূর্তে তৈমুর আলমকে ঘিরে ‘প্রভাব বলয়’ ও দুর্নীতির অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক:
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ৫৮১৩ বার পঠিত

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪ নম্বর সার্কেলের (ই/এম) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. তৈমুর আলমকে ঘিরে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে, দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার সুযোগে তিনি একটি শক্তিশালী প্রভাব বলয় গড়ে তুলেছেন, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, দরপত্র প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে পছন্দের প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুবিধা দেওয়া হতো। একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বারবার বড় অঙ্কের কাজ পাওয়ায় দপ্তরের ভেতরেও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি, অতিরিক্ত কাজ অনুমোদন এবং দ্রুত বিল পাসের বিনিময়ে কমিশন নেওয়ার বিষয়টিও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচিত।

তৈমুর আলমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের একটি অংশে তার পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততার কথাও বলা হচ্ছে। বিশেষ করে তার ছোট ভাই অংকুরের নাম ঘিরে নানা অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাকে ব্যবহার করা হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকারি চাকরির আচরণবিধির পরিপন্থী এবং স্বার্থের সংঘাতের শামিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, বিগত সময়ে প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে তিনি দীর্ঘদিন ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে অবস্থান করেন। বদলি নীতির প্রচলন থাকলেও কৌশলে একই এলাকায় থেকে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলার কথাও শোনা যাচ্ছে, যা কাজ বণ্টন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করত।

অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে— দরপত্রের শর্ত নির্দিষ্ট পক্ষের অনুকূলে পরিবর্তন, প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি, বিল অনুমোদনের বিভিন্ন ধাপে কমিশন গ্রহণ এবং পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ঠিকাদারি কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ।

এ বিষয়ে মো. তৈমুর আলমের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এসব অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..