রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক হচ্ছে সংশোধন হচ্ছে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন জর্ডানকে গুঁড়িয়ে আর্জেন্টিনার তিনে তিন উদ্ভাবনী প্রকল্পে জাতীয় স্বীকৃতি: পুরুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য মাসে মাত্র ৫০ টাকা দিন মজুরি, জীবনযাপন সান্তাহারের হরিজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের প্রস্তাবিত বাজেটে বৈষম্যের শিকার দক্ষিণবাংলাবাসীর মানববন্ধন বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী আমতলীতে স্কুল, মসজিদ, ইউনিয়ন পরিষদসহ চার প্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ চুরি দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীনের ১৭টি চুক্তি-সমঝোতা স্মারক সই

মাসে মাত্র ৫০ টাকা দিন মজুরি, জীবনযাপন সান্তাহারের হরিজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের

মো:মাইন, আদমদিঘী(বগুড়া) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ৫৭৫০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নিরলস পরিশ্রম করেন হরিজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। কিন্তু সেই শ্রমের যথাযথ মূল্য পাচ্ছেন না সান্তাহার পৌরসভার চুক্তিভিত্তিক হরিজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। মাসে মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকা সম্মানী পেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সান্তাহার পৌরসভায় কর্মরত বেশ কয়েকজন চুক্তিভিত্তিক হরিজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দীর্ঘদিন ধরে অস্বাভাবিক কম পারিশ্রম এ কাজ করে আসছেন। মাসিক ১ হাজার ৫০০ টাকা হিসেবে তাঁদের দৈনিক আয় দাঁড়ায় মাত্র ৫০ টাকা। বর্তমান দ্রব্যমূল্যের বাজারে এই অর্থ দিয়ে একটি পরিবারের ন্যূনতম চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, শহরের ড্রেন, সড়ক ও আবর্জনা পরিষ্কারের মতো কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেও তারা ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত। অনেক সময় কয়েক মাসের বেতনও বকেয়া থাকে। ফলে সংসার চালাতে তাদের ঋণ করতে হয় কিংবা অন্যের সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী বলেন, সারাদিন কষ্ট করে কাজ করি, কিন্তু যে টাকা পাই তা দিয়ে পরিবারের খাবারই জোটে না। বাজারে সবকিছুর দাম বেড়েছে, অথচ আমাদের বেতন বাড়েনি।

অন্যদিকে, পৌরসভার স্থায়ী পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সরকারি জাতীয় বেতন স্কেলের আওতায় বেতন-ভাতা পেলেও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ক্ষেত্রে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে একই ধরনের কাজ করেও দুই শ্রেণির কর্মীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে।

সচেতন নাগরিক ও মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, শহরের পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় হরিজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অবদান অনস্বীকার্য। অথচ তাঁদের ন্যায্য মজুরি, সামাজিক নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা হয়নি। এটি শুধু শ্রম অধিকার নয়, মানবাধিকারেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তাঁরা দ্রুত চুক্তিভিত্তিক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিবেচনা, বকেয়া মজুরি পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে আদদিঘী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগম জানান তিনি এ বিষয়ে অবগত না বিষয়টা তিনি অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..