বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বদলি আদেশ গায়েব করে এক যুগ ধরে সিএফ কার্যালয়ে হিসাবরক্ষক ইউছুপ: ৯ ডিভিশন থেকে মাসোহারা ও কোটি টাকার বদলি বাণিজ্যের চাঞ্চল্যকর তথ্য বিসিএসআইআর স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশাসনিক ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নিস্ক্রিয় ও প্রতারক হজ্ব এজেন্সির পথ বন্ধের উদ্যোগ ১০ লক্ষ টাকার ঘুষ বাণিজ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশও তোয়াক্কা করেননি রেঞ্জ কর্মকর্তা কবির, এবার নতুন জালিয়াতির টিপিতে পদুয়ায় আটক ট্রাক ২ লক্ষ টাকার সমঝোতায় রাতের আঁধারে রফা গণপুর্তের প্রকৌশলী মইনুলের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ রাজউকের উন্নয়ন নিয়ন্ত্রন পরিচালক মনিরুল ও কাইছারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়নে ২০ অথরাইজড অফিসারের ঘুষ বানিজ্য রমরমা ॥ দেখার কেউ নেই বিআরটিসিতে ‘জামিল সিন্ডিকেট’: এক বছরে দুই বদলি, কোটি টাকার সুবিধা বাণিজ্যের অভিযোগ ১৩ লাখ টাকা ঘুষ দিলে জাতীয় জাদুঘরে চাকরির টোটাল প্যাকেজ দিচ্ছে রেজিস্ট্রেশন সহকারী সুমন মিয়া নতুন সরকারের আমলে শেয়ারবাজারে আবারও লুটপাট শুরু করেছে পুরোনো মাফিয়া মামুন বিয়ের আশ্বাসে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগে পুলিশের অতিঃ ডিআইজি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

বিষখালী নদীর ভাঙনে বিলীনের পথে রামনা ফুলঝুড়ি সড়ক

শাকীল অহম্মেদ, বামনা ( বরগুনা)  প্রতিনিধিঃ
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৫৯২৯ বার পঠিত

বরগুনার বামনা উপজেলার ০৩ নং রামনা ইউনিয়নের বিষখালী নদীর তীরবর্তী রামনা- ফুলঝুরি সড়কটি বিষখালীর ছোবলে প্রায় বিলীনের পথে।

কয়েক দিন ধরে বরগুনার বামনা উপজেলার দক্ষিণ রামনা এলাকায় বিষখালী নদীর ভাঙনে বিলীনের পথে রামনা-ফুলঝুড়ি সড়ক। ভাঙন ঠেকাতে মাঝেমধ্যে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ দায়সারাভাবে জিও ব্যাগ ফেললেও ভাঙন রোধে স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না তারা। সম্প্রতি বিষখালী নদীর পানির স্রোত বৃদ্ধি পাওয়ায় বামনা উপজেলার নদীতীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। আর এই অব্যাহত ভাঙনে রামনা-ফুলঝুড়ি সড়কের দুই-তৃতীয়াংশ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

ভাঙন রোধে এখনই স্থায়ী ব্যবস্থা না নেওয়া হলে যেকোনো সময় জেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। শুধু তাই নয়, ভাঙনে এই স্থানের সড়কটি বিষখালীতে বিলীন হলে নদীর পানিতে তলিয়ে যাবে আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রাম।

জানা গেছে, ৩০ বছর ধরে দক্ষিণ রামনা এলাকা ভাঙনকবলিত। বিষখালী নদীর ভয়ালগ্রাসে কয়েক হাজার মানুষ নিঃস্ব হয়ে গেছে।

নদীতীরের মানুষ প্রতিদিন আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করে। বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, ‘আমরা কয়েক মাস আগে দক্ষিণ রামনা ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ দিয়ে ডাম্পিং শুরু করেছিলাম। তবে যে ট্রলার দিয়ে কাজটি শুরু করেছিলাম সেটি সেখানে ডুবে যাওয়ায় কাজটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। শিগগিরই আবার ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু করা হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..