রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মির্জাগঞ্জে শালীসি নামে সনাত ধর্মাবলম্বীর জমি বিক্রি করে ৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ-ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতাদের ঘিরে তোলপাড়! সামিট-এক্সিলারেট চালু: জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ২৪০ কোটি ঘনফুট আজ ১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিন আজ সান্তাহারে হাজীর বিরুদ্ধে পুকুর দখলের অভিযোগ; আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ আটক নান্দাইলে এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা নান্দাইলে স্বদেশ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মরণোত্তর বীমা দাবির চেক প্রদান ও কর্মী উন্নয়ন মিটিং রূপগঞ্জের বিক্রমপুর স্টিল মিলের বিস্ফোরণে শ্রমিক নিহত কানুরামপুর-ত্রিশাল সড়কের নতুন বাজারে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পরিদর্শনে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

মুরাদনগরে অনুমতি ছাড়াই স্কুলের গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ

মো: রায়হান চৌধুরী (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৫৯১৩ বার পঠিত

মো: রায়হান চৌধুরী, (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় অনন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কায়ছারুল আলমের বিরুদ্ধে স্কুলের পঞ্চাশ হাজার টাকার গাছ বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি গত তিন দিনে বিদ্যালয়ের সামনে পুকুরের পাড়ে থাকা তিনটি কড়ই ও একটি সুপাড়ি গাছ বিক্রি করেছেন। যার অনুমানিক বাজার মূল্য অর্ধলক্ষ টাকারও বেশি বলে দাবি স্থানীয়দের। তবে প্রধান শিক্ষকের দাবি সহকারি শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ হায়াতুন্নবীর অনুমতিক্রমে এই গাছগুলো কর্তন করা হয়েছে।

প্রধান শিক্ষক কায়ছারুল আলম বিক্রি করার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, স্কুলের পাশের বাড়ির মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মামুন ভূইয়া স্কুলের জমিতে গাছগুলো লাগিয়ে ছিলেন। তাই গত সপ্তাহে মামুন গাছগুলো কেটে নিতে চাইলে আমি সহকারি শিক্ষা অফিসার হায়াতুন্নবী স্যারের অনুমতি নিয়ে গাছগুলো কেটে নেওয়ার কথা বলি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মামুন বলেন, গাছগুলো আমাদের জমিতে আমরাই লাগিয়েছি। তাই আমাদের গাছ আমরা কেটে নিয়ে গেছি। উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ হায়াতুন্নবী বলেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেছেন গাছগুলো মামুন নামের এক লোক লাগিয়েছেন। তারা গাছগুলো কেটে নিতে চাচ্ছে। তারা যেহেতু গাছগুলো লাগিয়েছে তাই আমি অনুমতি দিয়েছি কেটে নিয়ে যেতে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, আমি তিনদিন ছুটিতে ছিলাম তাই বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মুরাদনগর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন বলেন, সরকারি জমি থেকে গাছ কেটে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..