শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দুটি আন্তর্জাতিক আয়োজনে পূর্ণ অর্থায়নে নির্বাচিত বাংলাদেশের যুব প্রতিনিধি জুবায়ের হোসেন বাংলাদেশের সহকারী-অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিযুক্ত হলেন দৈনিক সংবাদ বাংলাদেশের আইন উপদেষ্টা অ্যাড: খন্দকার এম. মনিরুজ্জামান বাংলাদেশের সহকারী-অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিযুক্ত হলেন মির্জাগঞ্জের কৃতি সন্তান অ্যাড: খন্দকার এম. মনিরুজ্জামান সান্তাহারে যুবসমাজকে খেলাধুলা মুখী করতে বল বিতরণ আমতলীতে পিভিএ ও এনএসএস-এর উদ্যোগে কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা বিতরণ বন্ধ কারখানা মালিকদের সুখবর দিল প্রধানমন্ত্রী কামিল পাস করেও চাকরির অপেক্ষা নয়, ফাস্টফুড ব্যবসায় সফল শারমিন আমতলীতে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার জনতা ব্যাংক পিএলসি নান্দাইল রোড বাজার শাখা স্থানান্তরের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ : ১০১ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগ

মুরাদনগরে দানিক সমবায় সমিতেতে জমা অর্থ ফেরত পেতে গ্রাহকদের মানববন্ধন

রায়হান চৌধুরী,মুরাদনগর কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৮৯৬ বার পঠিত

কুমিল্লা মুরাদনগরে দানিক বহুমুখী সমবায় সমিতির পরিচালকদের বিরুদ্ধে জমানো অর্থ আত্মসাৎতের অভিযোগে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী গ্রাহকসহ এলাকাবাসী।

বুধবার বিকেলে উপজেলার পরমতলা ইদ্রিসিয়া ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী গ্রাহকসহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

এসময় বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগী গ্রাহক পরমতলা গ্রামের সোবহান মুন্সির ছেলে কালাম মুন্সি, চেরাগ আলীর ছেলে মোসলেম মুন্সি, আব্দুল রহমান মাস্টার মেয়ে মেসমাতুল মাওয়া, রোশমত আলী মুন্সির ছেলে হারুনুর রশিদ মুন্সি, আব্দুল মোনাফ মুন্সির ছেলে আবু তাহের, শামসুল হকের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা, আব্দুল কাদের সরকারের ছেলে নজরুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান ভূঁইয়ার ছেলে হেলাল উদ্দিন ভূঁইয়া প্রমুখ।

জানা যায়, গ্রাহকদের প্রায় ২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়েছে দানিক বহুমুখী সমবায় সমিতির চেয়ারম্যানসহ পরিচালকরা। ২০১০ সালে মুরাদনগর উপজেলা সমবায় অফিস থেকে নিবন্ধন নিয়ে দানিক বহুমুখী সমবায় সমিতি যাত্রা শুরু করে।

এসময় বক্তারা বলেন, প্রায় কয়েক হাজার গ্রাহক দানিক বহুমুখী সমবায় সমিতিতে মাসিক ডি,পি,এস,এককালিন মুনাফা, পেনশন, ভিত্তিক, মুনাফা সহ দুইগুণ টাকা পাবো বলে ২-৩-৫-১০ বছরের মেয়াদে টাকা আমানত রাখে। দীর্ঘদিন ধরে সমবায় পরিচালক পরমতলা গ্রামের আব্দুল বারিক এর ছেলে এস এ কালাম,আব্দুল্লাহ ছেলে রুহুল আমিন খোকন, নওয়াব আলী সরকারের ছেলে মোসলেম উদ্দিন সরকার, আসমত আলী ভূঁইয়া ছেলে সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া ও বশির আহমেদ মাস্টার হুট করে সমিতির কার্যালয় বন্ধ করে পালিয়ে যায়। সমবায় সমিতির নিবন্ধন খুলে উচ্চ লাভের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রামের বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় সমিতির পরিচালকরা। আমরাও অত্র সমিতির পরিচালনা কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে দানিক সমবায় সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস.এ কালাম বলেন, দানিক সমবায় সমিতির কমিটির লোকজন বিএনপি’র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তৎকালীন সময়ে আওয়ামী লীগের নিপীড়ন ও মিথ্যা মামলার কারনে এলাকা ছারে। সমিতির বিপুল পরিমাণ টাকা এখনো বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করা রয়েছে। অনেক গ্রাহককে ইতিমধ্যে তাদের পাওনা পরিশোধ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল গ্রাহকের টাকা পরিশোধ করা হবে।

মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুর রহমান বলেন, টাকা আত্মসাৎতের বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..